ফের সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের অ্যাজেন্ডাকে সমর্থন করে না এমন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে চান ডোনাল্ড ট্রাম্প। অথবা সেগুলো বন্ধ করে দিতে চান তিনি। ট্রাম্পের পরামর্শ, সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলো যেন নিজেদের কার্যক্রম ঠিক রাখে, এখনই।
গতকাল বুধবার ট্রাম্প টুইটে লেখেন, রিপাবলিকানরা মনে করেন, সোশ্যাল মিডিয়া রক্ষণশীলদের কণ্ঠ একেবারে স্তব্ধ করে দেয়। আমরা তাদের (সোশ্যাল মিডিয়া) কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করবো অথবা বন্ধ করে দেবো, যে কোনো কিছু ঘটার আগেই। আমরা জানি ২০১৬ সালে তারা কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে সফল হয়নি। আমরা পুনরায় সে চেষ্টা করার সুযোগ দেবো না।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্টের একটি পোস্টে ‘ফ্যাক্ট-চেক’ লেবেল সেঁটে দেয় টুইটার। পোস্ট করা একটি টুইটে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লেখেন, কোনো উপায় নেই (শূন্য!) মেইল-ইন ব্যালটগুলো ব্যাপক জালিয়াতির চেয়ে কম কিছু হবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ পোস্টটির নিচে একটি সতর্কতা লেবেল লাগিয়ে দিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে তাদের নতুন নীতি অনুযায়ী একটি টুইট করে টুইটার। ওই টুইট করা নোটিফিকেশনে নীল রঙের একটি বিস্ময়বোধক চিহ্ন দেখানো হয় এবং হাইপার লিঙ্কে পাঠকদের ‘মেইল-ইন ব্যালটের বিষয়ে সঠিক তথ্য’ জানার পরামর্শ দেয়া হয়।
টুইটারের লিঙ্কটি ব্যবহারকারীদের আরেকটি পেইজে নিয়ে যায় যেখানে মেইল-ইন ব্যালটের বিষয়ে ট্রাম্পের দাবিকে সিএনএন, ওয়াশিংটন পোস্ট ও অন্যদের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ‘প্রমাণিত নয়’ বলে বর্ণনা করা হয়। তারপর ‘আপনার কী জানা দরকার’ শিরোনামে আরেকটি অনুচ্ছেদে টুইটার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দাবিকে ‘মিথ্যা’ কেন বলছে তার ব্যাখ্যা দিয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় ফের আরেকটি টুইটে ট্রাম্প লেখেন, টুইটার পুরোপুরি বাকস্বাধীনতার কণ্ঠরোধ করছে।
টুইটারের এসব পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়া ট্রাম্প অভিযোগ করেন, এ সোশ্যাল মিডিয়াটি যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে (৩ নভেম্বর, ২০২০) হস্তক্ষেপ করছে। বলেন টুইটার পুরোপুরি বাক স্বাধীনতার কণ্ঠরোধ করছে, আর আমি, প্রেসিডেন্ট হিসেবে এটি হতে দেব না।
আনন্দবাজার/টি এস পি









