বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপে আমদানি করা কাঁচামালের অভাবে ব্যাহত হয়েছে রফতানি খাতের উৎপাদন। চীন নির্ভরতা বেড়ে যাওয়ায় ওষুধ ও পোশাক খাতের মতো রফতানিমুখী খাতের কাঁচামাল আমদানি ৩ থেকে সর্বোচ্চ ২২ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। আর এমন অবস্থা চলমান থাকলে রফতানিখাতগুলো দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির মুখে পড়বে বলে শঙ্কায় সংশ্লিষ্টরা।
তাই ঝুঁকি এড়াতে এখনই নতুন বাজার সন্ধানের পাশাপাশি বিশ্ব সংস্থার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার কারার আহ্বান বিশেষজ্ঞদের। করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে যখন কাঁপছে বিশ্ব অর্থনীতির চাকা, তখনও বাদ যায়নি দেশের কাঁচামাল আমদানি নির্ভর খাতগুলোও। বাংলাদেশের মোট আমদানির ২৬ শতাংশ আসে চীন থেকে, ১৫ শতাংশ আসে ভারত থেকে আর বাকি ৬০ শতাংশ আসে অন্যান্য দেশ থেকে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, গেল অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারির তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল আমদানি হ্রাস। কাপড় তৈরির জন্য ব্যবহৃত সুতা আমদানি হ্রাস পেয়েছে ২২ দশমিক ৪৪ শতাংশ, তৈরি পোশাক শিল্পে ব্যবহৃত বস্ত্রসামগ্রী আমদানি হ্রাস পেয়েছে ৩ দশমকি ৭২ শতাংশ, ওষুধ শিল্পে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের কাঁচামাল আমদানি হ্রাস পেয়েছে ৭ শতাংশ। এছাড়াও বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের রং জাতীয় ডায়িং পণ্য আমদানি ৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ, স্টেপল ফাইবার আমদানি হ্রাস পেয়েছে ৫ শতাংশ এবং বস্ত্র ও গার্মেন্ট শিল্পে ব্যবহৃত অন্যান্য কাঁচামাল আমদানি কমেছে প্রায় ৪ শতাংশ।
বিজিএপিএমইএ’র সভাপতি আব্দুল কাদের খান জানান, আমরা কোনো অ্যাকসেসরিস এখন পর্যন্ত পাচ্ছি না। প্রায় হাফ বিলয়ন ডলারের জিনিস আটকে পড়েছে।
আনন্দবাজার/এম.কে









