সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা পাইকুরাটি ইউনিয়নের গন্ডাবের হাওরে কৃষকের বোরো জমির ধান কেটে দিচ্ছেন পজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবু তালেব। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ধান কাটা শুরু করা হয়েছে।
আাগাম বন্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকায় হাওরের পাকা ধান দ্রত কেটে ফেলার লক্ষ্যে কাটলে ধান,মিলবে ত্রাণ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে উপজেলা প্রশাসন নানা শ্রেণি পেশার শতাধিক মানুষজন নিয়ে কৃষকের পাকা ধান কাটার এই উদ্যোগে নেন।
ধান কাটার কাজে অন্যান্যদের মধ্যে অংশ নেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা.ঝন্টু সরকার, সাবরেজিষ্টার রাজেশ চন্দ্র, ধর্মপাশা সাকর্লে (এএসপি) সুজন চন্দ্র সরকার, কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম,কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রজেশ চন্দ্র দাস, পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্প কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম সোহাগ,উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান,সাখাওয়াত হোসেন সোহাগ, স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মোস্তফা, ইনশান, সাবেক উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক শাহ আব্দুল বারেক ছোটন প্রমুখ।
উপজেলায় ৩১হাজার ৭২০হেক্টর বোরো জমির মধ্যে মঙ্গলবার পর্যন্ত এ উপজেলার বিভিন্ন হাওরের ৬ হাজরা ৭৯০হেক্টর বোরো জমির ধান কাটা হয়েছে।
ইউএনও আবু তালেব বলেন, আগাম বন্যা হতে পারে। তাই হাওরের পাকা ধান যাতে দ্রুত কৃষকেরা কেটে ফেলেন সেজন্য তাঁদেরকে উৎসাহ দেওয়ার লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষজন নিয়ে কৃষকদের ধান কেটে দেওয়ার কাজে আমরা অংশ নিয়েছি। এ ছাড়া এখানকার ১০টি ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরাও প্রশাসনের সঙ্গে একাত্মতা পোষন করে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষজন নিয়ে এখানকার বিভিন্ন হাওরে ধান কাটার কাজে অংশ নিয়েছেন।
ধান কাটার কাজে অংশ নেওয়া ১৫০ জন দরিদ্র ব্যক্তির মধ্যে ৩০০করে টাকা, একটি সাবান,এক বোতল বিশুদ্ধ পানি ও এক প্যাকেট বিস্কুট বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া যারা ভাসমান, কমর্হীন ব্যাকার রয়েছেন তাঁরা যদি কৃষকের সঙ্গে হাওরের ধান কাটার সঙ্গে যুক্ত হলে তাঁদেরকে সরকারিভাবে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হবে।
আনন্দবাজার/শহক







