ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের (ডব্লিউজিসি) মতে, ২০১৯ সালে খনি থেকে ধাতুটির উত্তোলন ও পরিশোধন মোট ৩,৯৫১টন হয়েছিল। যা ছিল ২০১৮ সালের চাইতে আবার ১% কম। ২০০৮ সালের পর ওই প্রথমবারের মতো চাহিদা থাকা সত্বেও স্বর্ণখনি থেকে বাৎসরিক উৎপাদনের ঘাটতি দেখা যায়।
⇒ বিশ্বে সবচেয়ে বেশি স্বর্ণ মজুদের খনি গুলো ⇒ বিশ্বে খনি থেকে উত্তোলন করার মতো আর কতটুকু স্বর্ণ অবশিষ্ট আছে? ডব্লিউজিসি মুখপাত্র হান্নাহ ব্রান্ডস্টাট্টের বলেন, ''আগামী বছরগুলোতে বর্তমানে সচল থাকা খনি থেকে সরবরাহ ধীরগতির হতে পারে বা কমেও যেতে পারে। কারণ, প্রতিনিয়ত উত্তোলনের ফলে খনিতে বিদ্যমান আকরিকের মজুদ নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, নতুন স্বর্ণখনির সন্ধান পাওয়াটাও হয়ে পড়েছে অনেক কঠিন। এ অবস্থায় স্বর্ণ উৎপাদনের শীর্ষ অবস্থায় বিশ্ববাজার অবস্থান করছে-এমন মন্তব্য আগেভাগে করাটা ঠিক হবে না।''
'স্বর্ণ চূড়া' প্রবণতা যখন দেখা যায়- বিশেষজ্ঞরা জানান তারপরের কয়েক বছর উৎপাদনে নাটকীয় পতন নাও দেখা যেতে পারে। কিন্তু, তার পরের দশকগুলোয় ধীরে ধরে স্বর্ণখনির মজুদ নিঃশেষ হওয়াটাই আমরা লক্ষ্য করতে পারি।
''খনি থেকে উৎপাদন এখন সমান্তরাল পর্যায়ে আছে। এবং ধীরে ধীরে তা আগের চাইতে পতনের পর্যায়ে অবস্থান করছে। অবশ্য, তা খুব নাটকীয় ব্যাপার নয়'' বলছিলেন মেটালসডেইলি ডটকমের বিশেষজ্ঞ রস নরম্যান।
আনন্দবাজার/শহক







