- পদাধিকারে এফবিসিসিআইয়ের ৩৮ পরিচালক
- রফতানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান
দেশের রফতানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের রাখায় ১৭৬ ব্যবসায়ীকে ২০১৮ সালের বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি-রফতানি) নির্বাচিত করেছে সরকার। গত বুধবার নির্বাচিত ১৭৬ সিআইপি ব্যবসায়ীর তালিকার গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। পণ্য রফতানি ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন খাতে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আহসান খান চৌধুরীসহ সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন ১৩৮ জন।
রফতানি করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে- কাঁচা পাট, পাটজাত দ্রব্য, চামড়াজাত দ্রব্য, হিমায়িত খাদ্য, ওভেন গার্মেন্টস, কৃষিজাত পণ্য, এগ্রোপ্রসেসিং, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোডাক্টস, হস্তশিল্পজাত দ্রব্য, ফার্মাসিটিক্যাল, কম্পিউটার সফটওয়্যার, নিটওয়্যার, প্লাস্টিকজাত পণ্য, স্পেশালাইজ টেক্সটাইল বা হোম টেক্সটাইল ও সিরামিক বিবিধ। এছাড়া এফবিসিসিআইয়ের ৩৮ জন পরিচালক সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচিত সিআইপিরা এক বছর পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। সিআইপি কার্ডের মেয়াদকালীন সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য প্রবেশপত্র গাড়ির স্টিকার পাবেন। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠান ও মিউনিসিপ্যাল আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা, ব্যবসা সংক্রান্ত ভ্রমণে বিমান, রেল, সড়ক ও জলপথে সরকারি যানবাহনে আসন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারসহ বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ-২ ব্যবহারের সুবিধা পাবেন।
তাদের স্ত্রী, পুত্র, কন্যা ও নিজের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে কেবিন সুবিধার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। সিআইপির ব্যবসা সংক্রান্ত কাজে বিদেশ ভ্রমণের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভিসাপ্রাপ্তির জন্য সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে উদ্দেশ্য করে ‘লেটার অব ইন্ট্রুডাকশন’ ইস্যু করবে।
উল্লেখ্য, এর আগে রফতানি বাণিজ্যে অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৭ সালের জন্য ১৩৬ জনকে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি, রফতানি) নির্বাচন করা হয়েছিল। পাশাপাশি পদাধিকার বলে সিআইপি (বাণিজ্য) নির্বাচিত হয়েছিলেন এফবিসিসিআইয়ের ৪৬ পরিচালক। গেল ২০১৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর এ ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
আনন্দবাজার/শহক









