- পাঙ্গাস-ব্রয়লারে চলে সংসার
- নাগালের বাইরে গরু মাংস
মুসলমানদের কাছে প্রিয় খাদ্য গরুর মাংস। তবে আকাশ ছোঁয়া দামের কারণে ক্রেতার নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে মাংস। বাজারে প্রতিনিয়ত কমছে মধ্যবিত্ত নিম্নবিত্ত মাংস ক্রয় করা মানুষের সংখ্যা।
মানিকগঞ্জ শহরের বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি গরু মাংস ৬৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যেখানে গত বছর রমজানে ৫৭০ থেকে ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হয় এ মাংস।
ক্রেতা আমানুল্লাহ শুভ বলেন, গত বছর রমজানে ৬০০ টাকা কেজি দরে মাংস কিনেছি। তবে এ বছর দাম বেশি হওয়াতে মাংস খাওয়া হচ্ছে। আরেক ক্রেতা ক্রেতা কাউছার আহমেদ বলেন, গরুর দাম বৃদ্ধি তো আর রাশিয়া ইউক্রেনের যুদ্ধের কারণে হয় নাই। তবুও এত দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে। অনেকটা বাধ্য হয়ে গরুর মাংস খাওয়া ছেড়ে এখন ব্রয়লার মুরগি কিনে খাচ্ছি ।
তবে মাংস বিক্রিতাদের দাবি, গরুর হাটগুলোতে প্রতি গরু ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার পর্যন্ত টাকা বেশি দিয়ে গরু কিনতে হচ্ছে। যার কারণে এরকম দাম বৃদ্ধি পেয়েছে । দাম বৃদ্ধি হওয়ার কারণে ক্রেতা ও কমে গেছে ।
আগে যাদের ১ কেজি গরুর মাংস কিনতে দেখা যেতো তারা এখন অনেকেই হাফ কেজি মাংস নিচ্ছেন। গরুর দাম বৃদ্ধি হওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরাও আগের মত ব্যবসা করতে পারছেন না ।
মধ্যবিত্ত সানোয়ার হোসেন বলেন, শেষ কবে যে গরুর মাংস কিনেছি মনে নেই। এখন সংসার চালাতে হয় পাঙ্গাস মাছ, ব্রয়লার মুরগি, মলাঢেলা মাছ দিয়ে।
নিম্নবিত্ত সাব্বির হোসেন বলেন, গরুর মাংসের স্বাদইতো ভুলে গেছি। গত কয়েক বছর যাবৎ দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে গরুর মাংস কেনাই হয়নি।
জানা যায়, প্রতি বছর ৫০-৭০ টাকা করে কেজিপ্রতি গরুর মাংসের দাম বৃদ্ধি পায়। তবে মাংসের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের আয়ের কোনো পরিবর্তন না হওয়াতে গরুর মাংস ক্রয় ক্ষমতা কমছে জনগণের।









