দুর্নীতি দমন কমিশন শুধু চুনোপুটি নয়, অনেক ক্ষমতাবানদের গ্রেপ্তার করেছে। যারা এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন মামলায় শাস্তি ভোগ করছেন। একবার দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত হলে জীবদ্দশায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। দুদক কোনো মামলা করার ক্ষেত্রে তড়িঘড়ি করে না, বিচার বিশ্লেষণের মাধমে সবকিছু যাচাই-বাছাই করে মামলা করা হয়। এতে ভুলভ্রান্তি কম হয়। গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের শহীদ বীরোত্তম অডিটোরিয়ামে গণশুনানির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত ৭০ শতাংশ অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আপনার জেনে খুশি হবেন, দুদকের করা প্রায় ৭০ শতাংশ মামলায় শাস্তি হয়েছে অপরাধীদের। কারণ আমাদের আইনজীবীরা সঠিক তথ্য উপাত্ত আদালত উপস্থাপন করেন। আমরা এই ধারা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছি। কেউ যেন রাষ্ট্রীয় সম্পত্তিতে নিজের অধিকারের অতিরিক্ত ভোগ করতে না পারে। দুর্নীতি যেই করুক না কেন তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। এক্ষেত্রে কোনো বাধা আসলেও পিছপা হবে না দুদক।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আশরাফ উদ্দিন, দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) এ কে এম সোহেল, সিএমপির কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়, দুদকের চট্টগ্রাম বিভগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মো. মাহমুদ হাসান, চট্টগ্রাম মহানগর দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মনোয়ারা হাকিম আলী।









