ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার তালিনা গ্রামে চলছে ধান কাটার মহা উৎসব। সোনার ধান ঘরে তুলতে একটুও ক্লান্তির ফুসরত নেই কৃষকের। চারদিকে চলছে ধান কেটে ঘরে তোলার প্রতিযোগিতা। আকাশে মেঘ দেখলেই তাড়াতাড়ি এই ধান হই হুল্লোড় করে ঘরে তুলতে ব্যাকুল কৃষক।
এদিকে, করোনা আবার প্রতিনিয়ত ঝড় বৃষ্টি হয়ে চলেছে, এতে কৃষকের নানা রকমের ভোগান্তিতে ও পড়তে হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে মেঠোপথ এ কাঁদা জমা হওয়াই ধান ঘরে তুলতে বেগ পেতে হচ্ছে কৃষকের। এছাড়া পাওয়া যাচ্ছে না চাহিদা অনুযায়ী শ্রমিক। দীর্ঘ দিনের এই পরিশ্রমের ফসল বোরো ধান সংরক্ষণ করে ঘরে তুলতে আশেপাশের গ্রাম থেকেও শ্রমিক নিয়ে এনেছেন অনেক এ। আবার স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় সব শিক্ষার্থীরাও ধান কাটার মহোৎসব এ যোগ দিয়েছেন। তবে অনেক এলাকায় আধুনিক মেশিন রিপার কাঁটার ও কম্বাইন হারভেষ্টার দিয়ে ধান কাটলেও এই এলাকার মানুষ এমন সুযোগ পাননি।
উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে ঘরে দেখা যায়, কৃষক কৃষাণীরা ছেলে মেয়ে এবং অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়ে ধান কাটতে এবং খড় থেকে মেশিনের মাধ্যমে ধান ছাড়াচ্ছেন। এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।
এবছর উপজেলার তালিনা গ্রামে ৭০০ বিঘা জমিতে ইরি ধানের চাষ করা হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে ২২-২৮ মণ ধান পাবেন বলে আশা করছেন স্থানীয় কৃষকরা। তাদের বিঘা প্রতি খরচ হয়েছে ১২-১৫ হাজার টাকা ,এই অবস্থায় তারা যদি ন্যায্য মূল্য ধান বিক্রি করতে পারেন, তাহলে তাদের মুখে হাসি ফুটবে।
আনন্দবাজার/শহক/বুর








