বিক্রি না হওয়ায় দুধ ফেলা হচ্ছে খালে
প্রকাশ:

বিস্তারিত
কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান, শিকলবাহা, জুলধা, চরপাথরঘাটা ও চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে আট শতাধিক ডেইরি খামার আছে। এর মধ্যে শিকলবাহা এলাকাতেই রয়েছে সাড়ে ৭০০ খামার।
এখান থেকে প্রতিদিন প্রায় ৭০ হাজার লিটার দুধ উৎপাদন হয়। বর্তমানে করোনা সংক্রমণ চলায় এ দুধ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন খামারিরা। তারা এখন উৎপাদিত দুধ খোলাবাজারে স্বল্পমূল্যে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। লিটারপ্রতি ৭০ টাকার দুধ এখন ২০ টাকাতেও বিক্রি করা যাচ্ছে না। এদিকে, নষ্ট হওয়া দুধ খালে ফেলে দিতে হচ্ছে।
গোটা কর্ণফুলী উপজেলার সাড়ে ৭০০ খামারির এখন একই অবস্থা। শিকলবাহা এলাকার শাহনাজ ডেইরি ফার্মের স্বত্বাধিকারী ও দক্ষিণ জেলা ডেইরি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হারুন চৌধুরী বলেন, আমার খামারে প্রতিদিন উৎপাদন হয় প্রায় আড়াইশ লিটার দুধ। আজ বিক্রি হয়েছে ১৮০ লিটার দুধ। বাকি ৭০ লিটার দুধ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় শিকলবাহা খালে ফেলে দিয়েছি।
খামারিদের এ দুর্দশার কথা স্বীকার করে বিরামপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ইদ্রিস আলী জানান, সরকারিভাবে এ বিষয়ে আমরা এখনও কোনো রকম নির্দেশনা পাইনি। নির্দেশনা পেলে আমরা খামারিদের পাশে থেকে যথাযথ ব্যবস্থ্যা নেবো।
আনন্দবাজার/তা.তা








