দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর উন্নয়নে মূল চালিকাশক্তি পারস্পরিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা, প্রযুক্তি ও তথ্যের আদান-প্রদান এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন। এসব উৎসকে কাজে লাগাতে পারলে টেকসই ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব, পাশাপাশি হবে উন্নয়নও।
গতকাল ঢাকায় দুই দিনব্যাপী চলা ‘বিমসটেক অঞ্চলে জ্বালানি সহযোগিতায় জোটের ভূমিকা’ নামক শীর্ষক সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথি ও বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত নাওকি ইতো বলেন, বিমসটেক জোটগুলোর জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ অঞ্চলে অন্তত ১৫০ কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস। বিশেষ করে বাংলাদেশ এ জোটের একটি অংশ। সে কারণে তাদের জন্য আরো বেশি জরুরি।
এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন পারকাশ বলেন, এশীয় অঞ্চলের উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য জোটের দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থা আরো বেশি জরুরি। বিশেষ করে এ আস্থার মাধ্যমে টেকসই জ্বালানি নিশ্চিত করতে পারলে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের সুযোগ আরো বাড়বে।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও ইউএসএআইডির ইন্ডিয়ার রিজিওনাল প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মাইকেল স্টেইন বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তায় উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এ অঞ্চলের সহযোগী দেশগুলোর প্রযুক্তি আদান-প্রদান অবারিত হলে জ্বালানি খাত আরো উন্নত হবে।
আনন্দবাজার/ টি এস পি









