করোনা সংকটের মধ্যে গাঁজার চাহিদা বেড়েছে৷ কিন্তু লকডাউনের ফলে সরবরাহে ঘাটতিও বেড়েছে ৷
‘হেডসেট’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুসারে, মার্চের মাঝামাঝি দিকে এক সপ্তাহে গাঁজা বিক্রি শতকরা ৬৪ ভাগ বেড়েছিল৷ ২০১৯ সালের শুরু থেকে, অর্থাৎ এক বছরেরও বেশি সময় এত গাঁজা বিক্রি কখনোই হয়নি৷
যুক্তরাষ্ট্রে এপ্রিল মাসে গাঁজা বিক্রি আরও বেড়ে যায়৷ বেশিরভাগ রাজ্য গাঁজাকে ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের’ মর্যাদা দেওয়ার ফলে ক্রেতাদের মাধ্যে গাঁজা কিনে রাখার প্রবণতা বাড়তে থাকে৷
‘প্রোহিবিশন পার্টনার্স’ নামের ডেটা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা স্তেফেন মারফি মনে করেন, রাজ্যগুলোর এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে গাঁজা শিল্পের ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়ায় গুরুত্ব স্বীকার করে নেয়া হয়েছে৷ কিন্তু এ শিল্পের বিকাশে বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি৷
গত এপ্রিলে ৩৩টি গাঁজা খামারের ব্যবসা সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে মারিজুয়ানা বিজনেস ডেইলি দেখেছে, আটটি খামারের আগামী দশ মাস টিকে থাকার মতো তহবিল নেই৷
এব্লুমবার্গ ইন্টেলিজেন্স গ্লোবাল ক্যানাবিস কম্পিটিটিভ পিয়ার্স ইন্ডেক্স অনুসারে, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত গাঁজা ব্যবসায় যে অধোগতি দেখা গিয়েছিল, তা এখনো অব্যাহত আছে৷
আনন্দবাজার/এফআইবি








