তেল ও গ্যাস সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার (অনুসন্ধান, উত্তোলন ও উৎপাদন) যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ ও পণ্য আমদানিতে পেট্রোবাংলার আওতাধীন সব প্রতিষ্ঠানকে শুল্ক ও মূসক (মূল্য সংযোজন কর) ছাড় দেওয়া হয়েছে। গত বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে শুল্ক, মূসক ও সম্পূরক শুল্ক শর্ত সাপেক্ষে প্রত্যাহার করা হয়।
ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মূসক ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে বাংলাদেশে খনিজ তৈল ও গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন ও উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) আওতাধীন প্রতিষ্ঠান বিজিএফসিএল, এসজিএফএল ও বাপেক্স এবং পেট্রোবাংলার সহিত সম্পাদিত উৎপাদন বণ্টন চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে খনিজ তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন ও উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ ও পণ্য সাময়িকভাবে আমদানিতে তাদের ওপর আরোপণীয় সমুদয় আমদানি শুল্ক, মূসক ও সম্পূরক শুল্ক শর্ত সাপেক্ষে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
শর্তগুলো হলো- আমদানিকৃত যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য ব্যবহার্য পণ্য কেবলমাত্র তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান, উত্তোলন ও উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত হবে এমন প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে; প্রজ্ঞাপনের আওতায় রেয়াতি সুবিধায় স্থায়ীভাবে আমদানিকৃত যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য ব্যবহার্য পণ্য এই প্রজ্ঞাপনের উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ যে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারবে।
এছাড়া যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ ও পণ্য পুনঃরপ্তানির শর্তে সাময়িকভাবে এই প্রজ্ঞাপনের আওতায় রেয়াতি সুবিধায় আমদানিযোগ্য হবে; আমদানিকৃত পণ্যসমূহ ব্যবহারের ফলে সম্পূর্ণ ব্যবহারের অযোগ্য হলে তার তালিকা ও প্রকৃত পরিমাণ সম্পর্কে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠাতে হবে; প্রজ্ঞাপনের আওতায় রেয়াতি সুবিধায় স্থায়ীভাবে ও পুনঃরপ্তানির শর্তে সাময়িকভাবে আমদানিকৃত সব প্রকার যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য পণ্যের একটি তালিকা প্রতি আর্থিক বছর শেষে অর্থাৎ ৩১ শে জুলাই তারিখের মধ্যে পেট্রোবাংলা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মাধ্যমে এনবিআরে পাঠাতে হবে।









