সম্প্রতি চালের বাজারে দেখা দিয়েছে নতুন সংকট। আর সেটি হল, অসহায় মানুষদের মোটা চালের সরবরাহ একেবারেই কম। ফলে বাজারে সকল ধরনের চালের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সেই সাথে চাপ পড়েছে সকল ধরনের চিকন চালের ওপর।
ব্যবসায়ীরা জানান, মূলত এ কারণেই বৃদ্ধি পেয়েছে চালের দাম। বাজারে প্রতিকেজিতে চালের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৪ থেকে ৬ টাকা। ৫৪ টাকা কেজি মূল্যের মাঝারি মানের মিনিকেট চাল বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে। আর ৫৬ টাকা কেজি দরের নাজিরশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে ৬২ টাকা করে।
ব্যবসায়ীরা আরও জানান, চালের এই মূল্য বাড়ার পেছনে কোনও মহলের কারসাজি নেই। এর প্রধান কারণ হচ্ছে- প্রথমত, চালের চলতি মৌসুম একেবারে শেষের দিকে। দ্বিতীয়ত, চলতি বছর কেটেছে প্রাকৃতিক দুর্যোগে। প্রথমে হলো শিলাবৃষ্টি। এরপর ঘূর্ণিঝড় আম্পানের ছোবল। তারপর দেশজুড়ে বন্যা, যা এখনও চলছে। এছাড়া বছরজুড়ে করোনার প্রভাবতো রয়েছেই। এসব কারণে বাজারে ধানের সরবরাহ কমে গেছে, তাই দামও বেশি। আর ধানের দাম বেশি হলে চালের দর বাড়বেই, এটাই স্বাভাবিক।
এ ব্যাপারে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর জানান, করোনার প্রভাবে মানুষ বিভিন্ন ধরনের সংকটে রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। এ অবস্থায় কোনও মহলের কারসাজিতে নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি খুবই দুঃখজনক। এ ক্ষেত্রে সরকারের আরও কড়া নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করি।
আনন্দবাজার/এইচ এস কে









