আসন্ন রমজান ও চলমান করোনার প্রাদুর্ভাবকে পুঁজি করে মুনাফা লোভী ব্যবসায়ীরা হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। যেখানে এলসিতে আদার সবোর্চ্চ মূল্য ৯৭ টাকা। আবার সেই আদা খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৩৬০ টাকায়।
রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আদা বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩৬০ টাকায়। মাসের শুরুতেই পণ্যটির দাম ছিল ১৫০-১৬০ টাকা। ১৫-২০ দিনের ব্যবধানে আদার দাম বেড়েছে ১৫০-২০০ টাকা।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাজধানীর শ্যামবাজারে অভিযান চালিয়ে এমন তথ্য পেয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।
অধিদফতরের এ কর্মকর্তা জানান, আমরা সরকারি পণ্য আমদানি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে জেনেছি দেশের আমাদনিকৃত আদার সর্বোচ্চ এলসি মূল্য ৯৭ টাকা। তাই অভিযানকালে সরাসরি খাতুনগঞ্জের আমদানিকারক ব্রাদার্স ট্রেডার্স ইন্টারন্যাশনালকে ফোন করে আদার দাম জানতে চাওয়া হয়। এ সময় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের এলসি আদার দাম পড়েছে কেজি ১০০ টাকা। খরচ নিয়ে দাম পড়ে ১১০ টাকা। তাহলে ২৩৫ টাকা কেন বিক্রি করছেন তার ব্যাখ্যা চাওয়া হলে কোনো সঠিক তথ্য জানাতে পারেননি। পরে আমদানিকারক ফোনে ফয়সাল এন্টারপ্রাইজকে আদার কেজি সবোর্চ্চ ১২০ টাকা নির্ধারণ করে দেন।
বেশি দামে পণ্য বিক্রির অপরাধে ফয়সাল এন্টারপ্রাইসকে ২০ হাজার টাকা এবং মেসার্স আয়নাল অ্যান্ড সন্সকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
একই দিন রাজধানীর মিরপুর শাহ আলী পাইকারি বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন অধিদফতরের উপপরিচালক মো. মাসুম আরেফিন। এ সময় অতিরিক্ত দামে আদা বিক্রর অপরাধে দশটি প্রতিষ্ঠানকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
আনন্দবাজার/শহক








