পোশাক খাতের অর্থনৈতিক মন্দা, ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত জটিলতাসহ নানামুখী সমস্যায় প্রবৃদ্ধির হার অর্জনে দিনদিন পিছিয়ে পড়ছে চট্টগ্রাম বন্দর। গত বছর রেকর্ড পরিমাণ কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের পাশাপাশি জাহাজ আসার সংখ্যা বাড়লেও তা বিগত বছরগুলোর প্রবৃদ্ধির হারের থেকে কম।
এদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ৯২ শতাংশই সম্পন্ন করা হয় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। যে কারণে বছর শেষে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির সূচক পরিমাপের জন্য বন্দরের প্রবৃদ্ধিকেই অন্যতম মাপকাঠি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন বাচ্চু জানান, আমদানি পণ্যের কস্টিং এবং বিক্রয়ের মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য থাকায় অনেক আমদানিকারক আমদানি থেকে বিরত আছেন।
২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে ৬০টি জাহাজ বেশি আসলেও প্রবৃদ্ধির হার ছিল মাত্র ১ দশমিক ৬ শতাংশ। অথচ তার আগের বছরে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। অবশ্য জাহাজ আসার প্রবৃদ্ধি কমার ক্ষেত্রে যুক্তি আছে বলে জানান চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মোহাম্মদ ওমর ফারুক।
তিনি বলেন, পূর্বের তুলনায় অনেক বড় জাহাজ হ্যান্ডেল করার কারণ জাহাজের গ্রোথ তুলনামূলক কিছুটা কম।
সক্ষমতা বাড়াতে ২০১৯ সালে ১০টি গ্যান্ট্রি ক্রেন যুক্ত হচ্ছে বন্দরের বহরে। সেই সঙ্গে লক্ষ্য পূরণে ২ বছর এগিয়ে রয়েছে বলে দাবি করছে বন্দর কর্তৃপক্ষের।
আনন্দবাজার/তা.অ









