করোনার মধ্যেও বেশকিছু দিন ধরে সবজির দাম স্থির থাকলেও রমজানের একদিন আগেই হু হু করে বেড়েছে এসব সবজির দাম সেই সাথে বেড়েছে। বয়লার ও দেশি মুরগির দামও। তবে মাছ ও অন্যান্য মাংসের দাম স্থির রয়েছে। এতে চাপ বেড়েছে নিম্ন আয়ের মুনুষের ওপর ।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে ২০-২৫ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া গাজরের দাম বেড়ে হয়েছে ৩০-৪০ টাকা। ২০ টাকায় বিক্রি হওয়া শসার দাম বেড়ে হয়েছে ৩০ টাকা। ১৫-২০ টাকায় বিক্রি হওয়া বেগুনের দাম বেড়ে হয়েছে ৩০-৪০ টাকা।
গত কয়েক সপ্তাহের মতো এখনো বাজারে সব থেকে দামি সবজি সজনে ডাটা। বাজার ভেদে সজনের ডাটার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকা, যা গত সপ্তাহে কোথাও কোথাও ৬০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছিল। দাম বাড়ার এ তালিকায় রয়েছে পাকা টমেটোও। গত সপ্তাহে ১০-১৫ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া পাকা টমেটো এখন ২০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না।
রোজার আগে বেশকিছু সবজির দাম বাড়লেও করলা, পেঁপে, বরবটি, ঝিঙা, চিচিংগার দাম আগের মতোই স্থির রয়েছে। বাজার ও মান ভেদে করলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা। বরবটি পাওয়া যাচ্ছে ৪০-৫০ টাকা কেজি। পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা কেজি। এছাড়া পটল ৪০-৫০ টাকা, ঝিঙা ৪০-৫০ টাকা এবং চিচিংগা ২০-৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
সবজি কিনতে আসা রিকশা চালক আলম বলেন, যা আয় হয় তা দিয়েই কোনো রকমে সংসার চালানোর চেষ্টা করি। চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজের যে দাম তাতে সংসার চালাতে খুব কষ্ট হচ্ছে। প্রতিদিনই কোনো না কোনো সন্ধ্যা না খেয়ে থাকতে হয়। আজ বাজারে এসে দেখি সবজির দাম বেড়েছে। এতে আমাদের কষ্ট আরও বাড়বে।
এদিকে বেড়েছে বয়লার ও দেশি মুরগির দাম। গত সপ্তাহে ১০০-১১০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া বয়লার মুরগির দাম বেড়ে ১২০-১৩০ টাকা হয়েছে। দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৪৫০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩৫০-৪০০ টাকা।
মুরগির দাম বাড়লেও অপরিবর্তিত রয়েছে ডিম এবং গরু ও খাসির মাংসের দাম। ডিমের ডজন আগের মতোই ৭৫-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০-৬০০ টাকা। আর খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০-৯০০ টাকা।
আনন্দবাজার/রনি









