আমাদের দেশের প্রধান খাবার হিসেবে পরিচিত মাছ। মাছে ভাতে বাঙালি প্রবাদটি প্রচলিত ও জনপ্রিয়। দেহে প্রোটিনের চাহিদা পূরণে মাছের অবদান অনেক। মাছে উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন-ডি, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন-এ, সেলেনিয়াম, অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিডসহ অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে।
প্রতিদিন মাছ খেলে হার্ট অ্যাটাক থেকে ক্যানসারের মতো স্বাস্থ্য সমস্যা দূরে থাকবে। কারণ, প্রচুর পরিমাণে প্রাণিজ প্রোটিন, নামমাত্র ক্যালোরি, খনিজ আর ৯টি অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে মাছে। যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ডায়াবেটিস, স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক বা ক্যান্সারের মতো গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। হাড়ের ক্ষয়ে যাওয়া রোধেও সাহায্য করে। এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়।
মাছে থাকা ফ্যাট রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। মাছে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিজ যা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হৃদযন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। মাছে আছে ট্রাইগ্লিসারিড। যা রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বাড়তে দেয় না।
মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ডি যা দাঁত, হাড় মজবুত করে, একই সঙ্গে টাইপ-১ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়। মাছে আছে আয়রন, যা রক্তাল্পতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম যা ক্যালসিয়ামকে হজম করতে সাহায্য করে। এতে হাড় ও দাঁত তার প্রয়োজনীয় উপাদান ভিটামিন-সি সহজেই পেয়ে যায়। মাছে থাকা ম্যাগনেশিয়াম হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য করে। তাই শরীরের সার্বিক সুস্থতা ধরে রাখতে, ডায়াবেটিস, স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক বা ক্যানসারের মতো গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যাকে দূরে সরিয়ে রাখতে নিয়মিত মাছ খাওয়া জরুরি।
আনন্দবাজার/টি এস পি









