মহামারী করোনার কারণে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৯৭ লাখ বাচ্চা আর কখনও স্কুলে ফিরবে না বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের এনজিও 'সেভ দ্য চিলড্রেন'। সংগঠনটি আশঙ্কা মানুষের ইতিহাসে এই প্রথম বিশ্বজুড়ে বাচ্চাদের পুরো প্রজন্মের শিক্ষা ব্যবস্থায় আঘাত লাগতে পারে।
করোনা পরিস্থিতি সামলানোর জন্য বিশ্বের গরিব দেশগুলো শিক্ষাখাতে খরচ কমাবে। এর ফলে প্রায় ৯৭ লাখ বাচ্চা আর কখনও স্কুলের মুখ দেখবে না। ৯ থেকে ১২ কোটি বাচ্চার পরিবার গরিব হবে।
সেভ দ্য চিলড্রেন এর দাবি, বিশ্বের ১২টি দেশের অবস্থা সবচেয়ে বেশি খারাপ। বাকি গরিব বা মাঝারি আয়ের দেশের অবস্থাও তেমন ভাল নয়। সংগঠনটির হিসেব অনুযায়ী, করোনার জন্য দেশগুলি শিক্ষাখাতে সাত হাজার ৭০০ কোটি ডলার কাটছাঁট করবে। আর এর প্রভাব পড়বে প্রায় এক কোটি বাচ্চার ওপর। তাদের জীবন থেকে স্কুল নামক শব্দটি হারিয়ে যাবে।
করোনার কারণে গত এপ্রিলে মোট ১৬০ কোটি তরুণ-তরুণীর স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজা বন্ধ হয়ে যায়। অর্থাৎ, প্রায় ৯০ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী করোনার ফলে প্রভাবিত হয়েছে। অনেক দেশে এটা সাময়িক বন্ধ হওয়া। তবে করোনা পরিস্থিতি ভালো হলে তা আবার খুলে দেওয়া হবে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, এখন থেকে ২০২১-এর শেষ পর্যন্ত কম ও মাঝারি আয়ের দেশগুলি শিক্ষাখাতে সাত হাজার ৭০০ কোটি টাকা কমাবে। এর সরাসরি প্রতিক্রিয়া হবে বাচ্চাদের ওপর। ফলে তাদের আর স্কুলে পড়া হবে না।
তবে সরকার ও বিত্তবানরা যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে দরাজ হাতে সাহায্য করে এবং ঋণদানকারী সংগঠন যদি শিক্ষাক্ষেত্রে ঋণ মকুব করে। তাহলে পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হতে পারে বলে দাবি জানায় সংগঠনটি। খবর: ডি ডাব্লিউ।
আনন্দবাজার/এম.কে








