ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছর ইরানের এলপিজি রফতানির প্রাক্কলিত পরিমাণ আনুমানিক ৬০ লাখ টন দাঁড়াতে পারে। এ সময়ে ইরানে রফতানীকৃত এলপিজির সবচেয়ে বড় ভোক্তা হবে চীন। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলে রফতানীকৃত এলপিজির পরিমাণ আরো বাড়তে পারে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র। খবর এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল প্লাটস।
সূত্র জানিয়েছে, ২০২২ সালে ইরানের রফতানীকৃত এলপিজির পরিমাণ প্রতি মাসে ৪ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ ৩০ হাজার টন পরিমাণ দাঁড়াতে পারে। কিন্তু এটি নির্ভর করবে জাহাজের প্রাপ্যতার ওপর।
সূত্র আরও জানিয়েছে, ইরানের এলপিজি উৎপাদনের পরিমাণ ক্রমেই বাড়ছে। কিন্তু সমস্যা হলো অল্প কিছুসংখ্যক জাহাজ ইরানের বন্দরগুলোয় ভেড়ে। অন্যান্য বছরের মতো ২০২২ সালেও ইরানের এলপিজির সর্বোচ্চ ভোক্তা হিসেবে থাকবে চীন।
এক ব্যবসায়িক সূত্র জানিয়েছে, গত বছরের জুলাই-আগস্টের থেকে ইরানের মাসিক এলপিজি রফতানির পরিমাণ দুই বছরের সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। এ সময়ে পাঁচ লাখ টন ছিল মাসিক এলপিজি রফতানির পরিমাণ।
২০১৯ সালে ইরান থেকে ৪৯ লাখ ৪০ হাজার টন এলপিজি আমদানি করেছিল চীন। এরপর ২০২০ সালে এর পরিমাণ ছিল ৩৮ লাখ ৫০ হাজর টন। গত বছরের সালের জানুয়ারি-মে মাসে দেশটি থেকে চীনের এলপিজি আমদানির পরিমাণ ছিল ১৯ লাখ ৬৫ হাজার টন।
আনন্দবাজার/টি এস পি









