করোনায় বৈশাখের অনুষ্ঠান স্থগিত করায় প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার ক্ষতি সমুখীন হচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এসময় দেশের বিভিন্ন বিপণি-বিতান, শো-রুম এবং সব দোকানপাঠ বন্ধ থাকায় এ ক্ষতির শিকার হতে হচ্ছে তাদের।
এদিকে, পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে সারাবছর বিভিন্ন উদ্যেক্তারা নানা দেশীয় জিনিস তৈরি করেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে দেশীয় পোশাক, তাঁতের কাপড়, জামদানি শাড়ি, নকঁশিকাথা, বিভিন্ন পুতুল, মাটির তৈরি জিনিসপত্রসহ বিভিন্ন ধরনের হ্যান্ডিক্রাফট, যা এবার সেগুলো বিক্রি করতে পারবে না।
এবছর পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দুই হাজার কোটি টাকার বেচাকেনার লক্ষ্যমাত্রা ছিল। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে যাচ্ছে। এছাড়া সারাবছর ধরে বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী তৈরি করে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করার পর হঠাৎ করোনার প্রভাবে দোকানপাঠ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আটকে পড়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ। একইসঙ্গে বেকার হয়ে পড়েছে এ সব খাতের ৫ লাখ শ্রমিক-কর্মচারী। যাদের ৮০ শতাংশ নারী।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ফ্যাশন ডিজাইনার অ্যসোসিয়েশনের সভাপতি ও অঞ্জনস শোরুমের মালিক শাহীন আহমেদ বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে এই বছর আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল দুই হাজার কোটি টাকার পণ্য সামগ্রী বিক্রি করা। সে অনুযায়ী আমরা আমাদের সব কিছু রেডি করেছিলাম। আমরা যখন বিক্রিটা শুরু করব, তখনই একটা বিপদে পড়ে গেলাম। এছাড়া কিছুদিন পর রোজা, তারপরেই ঈদ। ঈদের অনেক কাজ চলছিল। সেটি নিয়েও আমরা আতঙ্কে আছি।
আনন্দবাজার/রনি









