- সাধারণ বিমা খাতেও চার গুণ
- জীবন বিমা খাতে তিন গুণ
- মোট সম্পত্তি ৬০ হাজার কোটি টাকা
বর্তমান সরকারের আমলে সাধারণ বিমা খাতে চার গুণ এবং জীবন বিমা খাতে তিন গুণ বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় বিমা দিবস-২০২২-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এসব তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে বিমার চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর ২০০৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত জীবন বিমা খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে তিন গুণেরও বেশি। আর সাধারণ বিমা বেড়েছে চার গুণের বেশি। বর্তমানে আমাদের বিমা খাতে মোট সম্পত্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকা। তবে এই খাতে আমাদের আরো অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। যেমন, কৃষি বিমা, স্বাস্থ্য বিমা, শিক্ষা বিমা, প্রবাসী কর্মী বিমা, শস্য বিমা, ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বিমা’, ‘বঙ্গবন্ধু সুরক্ষা বিমা’, ভ্রমণ বিমা, বাস স্টিমার রেলওয়েসহ সকল যাত্রী বিমা ইত্যাদি নানাবিধ বিমা সম্প্রসারণসহ নতুন নতুন বিমা যুক্ত করা যেতে পারে।
মোস্তফা কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে একে একে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন অর্জন। এরমধ্যে যুক্ত হয়েছে আরেকটি যুগান্তকারী অর্জন দেশের সকলের জন্য সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা। এটি নিঃসন্দেহে একটি সাহসী পদক্ষেপ এজন্য আমরা দেশবাসী সকলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ।
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আইডিআরএ চেয়ারম্যান ড. এম. মোশাররফ হোসেন এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) সভাপতি শেখ কবির হোসেন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ বিমা খাতে অসামান্য অবদান রাখার জন্য পাঁচজনকে ‘বিমা পদক’ এবং দুই প্রতিবন্ধী শিশুকে ‘বঙ্গবন্ধু সুরক্ষা বিমা পলিসি’ দেন।
উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ তৎকালীন আলফা ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগদান করেন। তাই জাতির পিতার স্মৃতি বিজড়িত ১ মার্চকে ‘জাতীয় বিমা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি একটি আদেশ জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।









