শখের বসে ৮ জোড়া কবুতর দিয়ে শুরু, এখন প্রায় ৬ শতাধিক কবুতরের মালিক আব্দুস সামাদ। সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সূবর্ণাবাদ এলাকায় আব্দুস সামাদের বাড়ি। কয়েক বছর আগে শখের বসে ৮ জোড়া কবুতর সংগ্রহ করেন তিনি।
তারপর সেই ৮ জোড়া কবুতর থেকে এখন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ শতাধিক কবুতরে। তিনি পেশায় একজন মৎস্যচাষি। আর এ কাজের পাশাপাশি নিজ বাড়িতে শুরু করেছেন কবুতর পালন। যা থেকে নিজের পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাড়তি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে বাড়তি আয়ের চেয়ে শখের জন্য কবুতর পালন করেন বলে জানান সামাদ।
কবুতরগুলো তার বাড়ির সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয়দের কাছে এটি খুবই আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। কুবতরদের প্রতিদিন ২ থেকে ৩ বার খাবার দিতে হয়। ঘরের পাশেই রাখা আছে খাবার ও পানির পাত্র। সেখান থেকে খাবার ও পানি খেয়ে এডালে ওডালে খেলায় মেতে চলছে কুবতরের দল।
তবে কবুতর গৃহপালিত প্রাণি হওয়ায় এটি সহজে পোষমানে। আর তাই অন্যকাজের পাশাপাশি কবুতর পালন করতে খুব বেশি সমস্যা হয়না আব্দুস সামাদের। অবসর সময়কে কবুতর পালনে সময় কাটান তিনি। এতে তার ক্লান্তি আসেনা। বরং আনন্দের সঞ্চয় হয়।
এদিকে, বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী, দেশি কবুতরের বাচ্চার জোড়া ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, গ্রিবাজ জাতের বাচ্চা ১৭০ থেকে ২০০ টাকা, সারাজি ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা, র্যাংকস ৩০০০ হাজার টাকা, হুমার এক হাজার, মুখি জাতের দাম ৭০০ থেকে ১০০০ টাকা দরে ক্রয় করেন ক্রেতারা। ৬ মাস বয়সী কবুতর মাসে ২ বার ডিম দেয়। আর সেই ডিম থেকে মাসে দুবার বাচ্চা জন্মনেয়। এতে তুলনামূলক ভালো লাভ পাওয়া যায়। শীতের মৌসুমে কবুতরের সর্দির প্রভাব থাকে। এতে মারাত্মক ঝুঁকিতে থাকে পুরো খামার। যার কারণে বাড়তি নজরদারির দরকার হয় এ মৌসুমে।
তিনি আমাদের জানান, শখের বসে কবুতর পালন শুরু করে তিনি আজ সফলতার মুখ দেখেছেন। তার মত যদি কেউ কবুতর পালন করে সাবলম্বী হতে চাই তাহলে স্থানীয় উদ্যোক্তা ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরে যোগাযোগ করতে পারেন।
আনন্দবাজার/এম.আর








