যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশি হেফাজতে মারা যাওয়া কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েডের সঙ্গে পূর্ব শত্রুতা ছিল পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক চাওভিনের। জর্জ ফ্লয়েড এবং ডেরেক চাওভিনের এক সময়ের সহকর্মী ডেভিড পিন্নে এমনটাই অভিযোগ করেছেন।
এক সময় চাওভিন এবং জর্জ ফ্লয়েডের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিস শহরে এল নুয়েভো রোদেও নামক একটি নাইটক্লাবে নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করতেন ডেভিড পিন্নে। মার্কিন একটি সংবাদমাধ্যম পিন্নে বলেন, চাওভিন খুব উগ্র স্বভাবের একজন ব্যক্তি। ফ্লয়েড এবং চাওভিনের মধ্যে দ্বন্দ্ব লেগেই থাকতো।
এল নুয়েভো রোদেও নাইট ক্লাবটির মালিক মায়া সান্তামারিয়া বলেন, আমি ভাবতাম যে চাওভিন কৃষ্ণাঙ্গদের ভয় পায়। এদিকে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যেই ফ্লয়েডকে গত ২৫ মে পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক চাওভিন আটক করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে জর্জ ফ্লয়েডের পরিবারের পক্ষ থেকেও।
গত ২৫ মে পুলিশ প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার করে ফ্লয়েডকে। তাকে গ্রেফতারের পর হাঁটু দিয়ে তার গলা চেপে ধরেন ডেরেক চাওভিন নামের ঐ পুলিশ কর্মকর্তা। এভাবে অন্তত আট মিনিট তাকে মাটিতে চেপে ধরে রাখা হয়। জর্জ ফ্লয়েড নিঃশ্বাস না নিতে পেরে বলছিলেন, ‘আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না।’ হাঁটুর চাপে নিশ্বাস বন্ধ হয়ে সেখানেই ফ্লয়েড মারা যায়। এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয় মুহূর্তেই। এর প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে শুরু হয় আন্দোলন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও এর প্রতিবাদে আন্দোলন হয়েছে।
জর্জ ফ্লয়েডকে হত্যার পর ডেরেক চাওভিনসহ তার তিন সহকর্মীকে পুলিশ বিভাগ থেকে বরখাস্ত করা হয়। বর্তমানে চাওভিন মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের সর্বোচ্চ নিরাপত্তাবিশিষ্ট ওয়াক পার্ক হেইটস কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
আনন্দবাজার/ডব্লিউ এস









