হলুদ চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কৃষকরা। এক সময় এ উপজেলার কয়েকটি গ্রামজুড়ে মাঠের পর মাঠ হলুদের চাষ হতো। সে সব জমিতে এখন বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করা হয়।
কৃষকরা জানান, হলুদ চাষে সময় লাগে ৯ থেকে ১০ মাস। এ সময়ে জমিতে সবজি ও আলু চাষ করা যায়। এ কারণে কৃষকের মধ্যে হলুদ চাষের আগ্রহ কমে যাচ্ছে। প্রতি বিঘা জমি থেকে হলুদের ফলন হয় ৭০- ৮০ মণ। লাভ হলেও সময় বেশি লাগার কারণে তারা হলুদের জমিতে সবজি কিংবা আলু চাষ করছেন। আবাদ কমে যাওয়ার পরও এসব গ্রামে প্রতি বছর ১৫ থেকে ২০ হাজার মণ হলুদ চাষ হয়। যা স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পর বিভিন্ন মসলা প্রস্তুতকারী কোম্পানিতে সরবরাহ করা হয়।
গনেশপুর গ্রামের হলুদ ব্যবসায়ী জালাল উদ্দিন ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা মণ দরে ৭০০ মণ কাঁচা হলুদ কিনেছেন। হলুদ সেদ্ধ করে শুকানোর পর মসলা প্রস্তুতকারী কোম্পানির কাছে বিক্রি করবেন ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার ৮০০ টাকা মণ দরে।
বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ জানান, বগুড়া জেলায় এ বছর ৬২০ হেক্টর জমিতে হলুদ চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে শিবগঞ্জ উপজেলাতেই ৯০ ভাগ জমিতে হলুদ চাষ করা হয়।
আনন্দবাজার/ টি এস পি









