করোনাভাইরাসের প্রভাবে জানুয়ারি এবং ফেব্রুয়ারি মাসে অর্ডারকৃত কুঁচিয়া ও কাঁকড়া রফতানি বন্ধ থাকার কারণে ব্যবসায়ীদের ক্ষতির পরিমাণ অন্তত ৪০০ কোটি টাকা। তবে এই ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কাঁকড়া এবং কুঁচিয়া রফতানির মাধ্যমে বাংলাদেশ বছরে প্রায় এক হাজার ১০০ কোটি টাকা আয় করে থাকে। যার ৯০ শতাংশ আসে চীন থেকে। কিন্তু বর্তমানে করোনাভাইরাসের প্রভাবে চীনে রফতানি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
সাধারণত ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি এই তিন মাস বেশি কাঁকড়া ও কুঁচিয়া রফতানি হয়। তাই এ সময় বেশিরভাগ ব্যবসায়ী বাড়তি বিনিয়োগের জন্য ব্যাংক, এনজিও বা সমবায় সমিতি থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করছেন। কিন্তু সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর জানুয়ারিতে করোনাভাইরাসের কারণে হঠাৎ করে চীনে রফতানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ী এবং চাষিরা ব্যাপক ক্ষতির সম্ভনায় পড়েছেন ।
আরও পড়ুন : করোনা ঠেকাতে স্বাস্থ্য বিভাগের তিন স্তরের প্রস্তুতি
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দেশের পাঁচ জেলায় উৎপাদিত শিলা কাঁকড়ার ৭০ ভাগই রফতানি করা হয়চীনে । করোনাভাইরাসের কারণে ২৩ জানুয়ারি থেকে দেশটিতে রফতানি সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। তাই খামারে উৎপাদিত কাঁকড়া মরতে শুরু করেছে। ফলে এ ব্যবসার সাথে জড়িত কয়েক হাজার খামারি চরম আর্থিক ক্ষতির মধ্যে পড়েছেন।
আনন্দবাজার/ এইচ এস কে









