করোনাভাইরাসের আবির্ভাবের পর একান্ত প্রয়োজনের বাইরে সাধারণ জনগণকে ঘর থেকে বের হতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে চীন। এরপর থেকে অনলাইন খাবার ব্যবসায়ীদের চাহিদা বেশ বেড়েছে গোটা চীনে। আগে অনলাইনে ইলেকট্রনিক পণ্যের চাহিদা বেশি থাকলেও খাদ্য পণ্যই বেশি কিনছেন এখনকার ক্রেতারা।
চীনে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর জানুয়ারির শেষ থেকে দেশজুড়ে সব কারখানা, রেস্তোরাঁ, সিনেমা হল, অফিস, দোকানপাট সব বন্ধ করে দেয়া হয়। এতে বেশ ক্ষতগ্রিস্ত হয়েছে দেশটির বাণিজ্য খাত।
ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ চালু করেছে অধিকাংশ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান। গত এক মাসে ৭১ হাজার ৫শ টন চাল, ময়দা ও গম, ২ কোটি ৭০ লাখ লিটার ভোজ্য তেল, ৫০ হাজার কেজি মাংস, ডিম, সবজি এবং ফল সরবরাহ করেছে ই-কমার্সের অন্যতম বড় প্রতিষ্ঠান জেডি। এক বছর আগের তুলনায় চাল বিক্রি বেড়েছে ২০ গুণ। আর তেল বিক্রি বেড়েছে ৫ গুণ।
এক্ষেত্রে পণ্য পৌঁছে দেয়ার আগে নিজেদের তাপমাত্রা পরীক্ষা করে নেন গাড়িচালক এবং অন্যান্য কর্মীরা। এছাড়া পণ্যের বাক্সতে জীবাণুনাশক ব্যবহার করে নেয়।
অবসরপ্রাপ্ত চীনা নাগরিকেরা বলছে,যারা আগে অনলাইনে খাদ্য পণ্য কিনতেন না, এখন তারাও অনলাইনের ওপর ভরসা করছে।
আনন্দবাজার/তাঅ









