দেশের তৃতীয় চা অঞ্চল পঞ্চগড়ের সমতল ভূমিতে চা চাষ করে জেলার অর্থনৈতিক অবস্থা অনেকটাই পাল্টে গেছে। এমনকি চায়ের মান উন্নত হওয়ায় ইতোমধ্যে এই চা আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রবেশ করেছে। ফলে এ অবস্থায় জেলায় অকশন মার্কেট করার দাবি জানিয়েছেন চা-চাষিরা।
জেলায় বর্তমানে উন্নতমানের দার্জিলিং জাতের চা উৎপাদন করা হচ্ছে। সেই সাথে প্রতি ৪০ দিন পরপর পাতা সংগ্রহ করে সরাসরি চা কারখানায় বিক্রি করছে চাষিরা। ফলে এই সুযোগ থাকায় চাষিরা ব্যাপক লাভবান হচ্ছেন। তারা বলেন, নগদে তাদের কাছ থেকে চা পাতা কিনছেন কারখানা গুলোর কর্তৃপক্ষরা। তাই এখানে অকশন মার্কেট চালুর করার দাবি জানান তারা।
এখানে বড় এবং মাঝারি বাগানের পাশাপাশি ক্ষুদ্র চা চাষও আগের চেয়ে কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। উৎপাদিত চা প্রক্রিয়াজাত করতে বেসরকারিভাবে ১৮টি চা কারখানা সরাসরি চাষিদের কাছ থেকে চা পাতা কিনে নিচ্ছে।
তেতুঁলিয়ার গ্রিন কেয়ার অ্যাগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মনজুরুল আলম মনজু ম্যানেজার বলেন, সরকার চায়ের যে মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে তা ঠিক আছে। তাদের পাশাপাশি চাষিরা ব্যাপক লাভবানও হচ্ছেন।
এ বছর চলতি মৌসুমে ১ কোটি কেজি চা উৎপাদনের আশা প্রকাশ করছে চা বোর্ড কৃর্তপক্ষ। পঞ্চগড় চা বোর্ডের প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ শামীম আল মামুন বলেন, ২০১৯ সালে ৯৫.৯৯ লাখ কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে পঞ্চগড়ে। তাদের প্রত্যাশা চলতি বছর উৎপাদন এক কোটি কেজি ছাড়িয়ে যাবে।
উল্লেখ্য, জেলায় সাড়ে ৮ হাজার একর জমিতে গেল বছর ৯৫ লাখ ৪৯ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়।
আনন্দবাজার/এইচ এস কে









