জুমা শুধু সাপ্তাহিক ইবাদতের দিন নয়, এটি রহমত ও বরকতের বিশেষ সময়। এই দিনে প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)–এর প্রতি দরুদ পাঠ করা মুসলমানের ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা ও আনুগত্য প্রকাশের এক অনন্য সুযোগ। হাদিসে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, জুমার দিনে বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা উচিত।
জুমার দিনে দরুদের প্রধান আমল:
১. বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা:
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “তোমাদের সাপ্তাহিক দিনগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম দিন হলো জুমার দিন। সেই দিন আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো। কারণ, তোমাদের দরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়।” (আবু দাউদ ১০৪৭, নাসাঈ ১৩৭৪, ইবনু মাজাহ ১০৮৫)
২. উত্তম দরুদ:
সবচেয়ে উত্তম দরুদ হলো দরুদে ইবরাহিম:
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَىٰ مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ آلِ مُحَمَّدٍ …
উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা সাল্লাইতা আলা ইবরাহিম …’
সংক্ষিপ্ত দরুদ: صَلَّى اللَّهُ عَلَىٰ مُحَمَّدٍ
উচ্চারণ: ‘সাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মাদ’
অর্থ: ‘আল্লাহ মুহাম্মদ (সা.)–এর প্রতি রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।’
৩. সময়:
বৃহস্পতিবার মাগরিবের পর থেকে শুক্রবার মাগরিব পর্যন্ত দরুদ পাঠ করা উত্তম।
৪. ফজিলত:
গুনাহ মাফ হয়
দরুদ পাঠকারীর ওপর আল্লাহর রহমত নাজিল হয়
দোয়া কবুলের আশা বৃদ্ধি পায়
হৃদয়ে প্রশান্তি আসে
জুমার দিনে নামাজের আগে–পরে, খুতবার আগ মুহূর্তে এবং আসরের পর দরুদ পাঠ করা বিশেষভাবে উত্তম। অল্প আমল হলেও, গভীর ভালোবাসার সঙ্গে পাঠ করা দরুদ আমাদের গুনাহ মাফ ও অন্তরের প্রশান্তির পথ খুলতে পারে।









