উৎপাদন কিংবা সংকট না, মিলারদের ইচ্ছার ওপরই নির্ভর করে চালের দাম। মিলাররা ক্রেতাদের পকেট কাটছে ভরা মৌসুমে। সরু চালের দর বেড়েছে প্রতি কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা।
খুচরা ব্যবসায়ীদের তুমুল অভিযোগ, মিলাররা সারা বছরের ধান একবারে কিনে নানা সময়ে বাজার নিয়ে খেলেন অথচ সরকারি সংস্থার রোষানল আর জরিমানায় ভুগতে হয় চাষীদের। হঠাৎ করে চালের এ বাড়তি দরে বিব্রত ক্রেতারাও।
গেল কয়েক দিনে মিনিকেট চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা। মান ভেদে ৩৪ থেকে ৩৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে মোটা চাল। তবে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে পোলাওয়ের কাটারিভোগ আর চিনিগুড়া চাল। ভরা মৌসুমেও বস্তাপ্রতি (৫০ কেজি) দাম বেড়েছে প্রায় ৯০০ টাকা।
এদিকে ব্যবসায়ীদেরও একই অভিযোগ, কৃষকের সব ধান কেনার পর, সংকটের গুজব তুলে দাম বাড়িয়ে দেন মিলাররা। এক কথায় এটি একটি অরাজকতা।
অন্যদিকে মিলাররা বরাবরের মতই সব অভিযোগ অস্বীকার করছেন। তারা বলছে, কৃষককে লাভবান করতেই ধানের দাম বাড়ানো হয়েছে। যার প্রভাব পড়ছে চালের বাজারে।
ক্রেতারা জানায়, চালের বাজারে অনিয়ম রোধ করতে খুচরা বাজারের পাশাপাশি অভিযান চালাতে হবে মিল গেটেও।
আনন্দবাজার/শাহী









