মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর উন্নয়ন প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হিসেবে ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৭৭৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে দুই হাজার ৬৭১ কোটি ১৫ লাখ টাকা, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) ঋণ ১২ হাজার ৮৯২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জোগান দেবে বাকি দুই হাজার ২১৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা। মাতারবাড়ি পোর্ট ডেভেলপমেন্ট নামের প্রকল্পটিসহ গতকাল (১০ মার্চ) মোট ৯টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে একনেক।
প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ২৪ হাজার ১১৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে আসবে ছয় হাজার ১৫১ কোটি ২৬ লাখ টাকা, বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ণ দুই হাজার ২১৩ কোটি এবং বৈদেশিক ঋণ ১৫ হাজার ৭৪৮ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে গতকাল অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসকল অনুমোদন দেওয়া হয়। এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা সচিব সচিব মো. নুরুল আমিন, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (জ্যেষ্ঠ সচিব) শামীমা নার্গীস, জাকির হোসেন আকন্দ, আবুল কালাম আজাদ, আইএমইডি’র সচিব আবুল মনসুর মো. ফয়েজউল্লাহ এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীসহ পরিকল্পনা কমিশনের অন্য কর্মকর্তারা।
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জানান, মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর নির্মিত হলে এটি হবে দেশের চতুর্থ সমুদ্রবন্দর। বাকি তিনটি হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর ও পায়রা বন্দর। চারটি বন্দর পূর্ণাঙ্গরূপে চালু হলে তা উপকূলে গলার হারের মত গোলাকার একটি রূপ নেবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাতারবাড়ি বন্দর নির্মাণকাজ দ্রুত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান মন্ত্রী।
আনন্দবাজার/তা.তা









