সুনামগঞ্জ ধান, মাছ, বালু, পাথর চার নিয়ে প্রাণ। প্রবাদে আছে ছয় কুড়ি খাল, নয় কুড়ি বিল এই নিয়ে টাংগুয়ার হাওর। মাছ শিকারের পাশাপাশি এই এলাকার অনেক মানুষ বালু ও পাথর উত্তোলনের কাজ করে। রয়েছে অনেক বালু-পাথরে ব্যাবসায়ি। কিন্তু করোনার কারণে এসব ব্যাবসায়িদের ব্যবসায় ভাঁটা পরেছেড়েছ।
এক বালু ব্যবসায়ী জানান, কিছু কিছু গাড়ী সড়ক পথে যাতায়াত করছে। কিন্তু আমাদের নৌপথ অবরুদ্ধ রয়েছে। ভলগেট, ইঞ্জিল চালিত বোর্ড বা নৌকা যদি চলাচলের অনুমতি পায় তাহলে শত শত কোটি টাকা নষ্ট হত না।
জানা যায়, সুনামগঞ্জ হতে জামালগঞ্জ, তাহিরপুর, লক্ষীপুর, মান্নানঘাট সহ গজারিয়া পর্যন্ত ৬শত ব্যবসায়ী রয়েছে। প্রত্যেকে বালু স্টক করেছেন নদীর পাড়ে। পানি বৃদ্ধি পাওয়া নদীর গভীরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকা। সরকার হারাচ্ছেন রাজস্ব। শ্রমিকরা তাদের কাজ থেকে হচ্ছে বঞ্ছিত।
অন্য এক ব্যবসায়ী জানান, সুনামগঞ্জের বালু দ্বারা নির্মীত হচ্ছে, দেশের সর্ব বৃহৎ নদীর উপর ব্রীজ, দালান কোটা, রাস্তা সহ সিলেকশান এই সুনামগঞ্জের বালু। পাহাড়ী ঢল ও উজান থেকে আসা পানি সুরমা নদীতে বালু বিলীন হচ্ছে। আমাদের আবেদন বালুর ভলগেইট ছালুন অনুমতি প্রার্থনা করছি সরকার ও স্থানীয় জেলা প্রশাসকের কাছে। আমরা সবাই যেন বালুর নৌকা চলাচল করতে পারি।
আনন্দবাজার/শহক









