দেশের সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয় হচ্ছে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস। আর এই আতঙ্কের মধ্যে বড় বিষয় হলো আক্রান্ত মৃত ব্যক্তিকে কাফন দাফন জানাযা ছাড়াই দেওয়া হয় কবর। ঠিক এই সময়েই মৃত ব্যক্তির কাফন দাফনের দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেন নারায়ণগঞ্জের এক ঝাঁক তরুণ আলেম। তবে এই ঘোষণা যেন ঘোষণায় থেকে গেছে বাস্তবে তা ভিন্ন। একাধিকবার ফোন করেও খুঁজ মেলেনি তাদের। আর এ ধরনের কর্মকান্ডের জন্য এ ঘোষণা দেয়া ভন্ডামি ছাড়া আর কিছুই না বলে অনেকে মনে করছেন।
সম্প্রতি জামতলায় এক ব্যক্তি করোনার উপসর্গে মারা গেলে দাফনের জন্য অনেকবার মোবাইলে কল দিয়েও খুজে পাওয়া যায়নি এ আলেমদের। পরে স্থানীয় কাউন্সিলর সেই দাফনের ব্যবস্থা করেন। দাফনের সকল কাজ শেষ হবার পর বিকেলে মাওলানা ফেরদৌস সবাইকে ফোন করে জানতে চেয়েছেন কি হয়েছে।
জানা যায়, নারায়ণগঞ্জে আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা গেলে কাফন দাফন ও জানাযার নামাজ আদায় করবেন উলামা পরিষদ নেতা মাওলানা ফেরদাউসুর রহমানের একটি টিম। কিন্তু ঘোষণা দিলেও এ কাজ করছেন না তারা কমিটির কেউ। যার ফলে এসব ব্যক্তিকে প্রশাসন বা বিভিন্ন বেসরকারি টিম দাফনের ব্যবস্থা করে চলছে।
স্থানীয়দের মতে, শুধুমাত্র মিডিয়ায় শিরোনাম হতেই আলেম নামধারী এরা দাফনের কথা নিয়ে চরমভাবে ভন্ডামি করেছেন। এরা এতদিন বিভিন্ন রাজনীতি নিয়ে মাঠে কাজ করেছেন এখন মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে মানুষের মাঝে আলোচনায় থাকতে চেয়েছেন। তাদের এমন কর্মকান্ডে চরমভাবে বিব্রত হয়েছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ।
অপরদিকে নারায়ণগঞ্জে করোনা উপসর্গ কিংবা এ রোগে কেউ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করলে দাফনের ঘোষণা ছিল ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের। সেই ঘোষণা মোতাবেক ৮ এপ্রিল বুধবার দুপুরে মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে একজনের দাফন কাফন সম্পন্ন করেছেন তিনি।
আনন্দবাজার/রনি









