বন্যায় সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে তিস্তার ডালিয়া পয়েন্ট এবং কুড়িগ্রামের চিলমারী। এসব এলাকাসহ বিভিন্ন নদীর পানি ৫০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে বন্যার এমন পূর্বাভাস জানিয়েছে সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
এমন অবস্থায়, বন্যাপ্রবণ ২৩ জেলার জন্য ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তাসহ অন্যান্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাক্তার মোহাম্মদ এনামুর রহমান।
দ্বিতীয় দফা বন্যায় বৃদ্ধি পাচ্ছে নদ-নদীর পানি। এতে করে প্রতিদিনই প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে দেশের উত্তর-উত্তর পূর্বাঞ্চলে।
বন্যার কারণে আগামী সাতদিন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ তিস্তার ডালিয়া পয়েন্ট, কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের নুনখাওয়া ও চিলমারী, পদ্মার গোয়ালন্দ ও ভাগ্যকূল পয়েন্ট। এছাড়া, বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্ট, সিরাজগঞ্জ, বগুড়ার সারিয়াকান্দি ও আরিচা এর আওতায় রয়েছে। বন্যায় বেশি প্রভাব রাখবে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, দেশের উত্তরাঞ্চলের তিস্তা-ধরলা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদীগুলো।
শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমেদ জানান, কেবল মাত্র খাবার ও বাঁধ নয়, ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা আছে। বিকল্প বীজতলা করার ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে হলে কৃষি বিভাগের সহায়তা প্রয়োজন।
আনন্দবাজার/এম.কে









