সরকার ইতোমধ্যে সেন্টমার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপ অংশে পর্যটকদের যাওয়া নিষিদ্ধ করেছে। সেই সাথে পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় সেন্টমার্টিনে ৬ ধরনের কার্যক্রম বন্ধেরও আদেশ দেওয়া হয়েছে। তবে সরকারের এ সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন পরিবেশবাদীরা।
তারা দাবি করছেন, দ্বীপটিকে রক্ষা করতে হলে সেন্টমার্টিনেও পর্যটক আসা সীমিত করতে হবে। সেই সাথে নির্দেশনা কঠোরভাবে কার্যকরের মাধ্যমে সেন্টমার্টিনের সামুদ্রিক প্রবাল ও জীব-বৈচিত্র্য রক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
জানা গেছে, সেন্টমার্টিনের দক্ষিণে অবস্থিত ছোট এই ছেঁড়াদ্বীপ। নীল জলরাশির মধ্যখানে প্রবাল পাথরের তৈরি দ্বীপটি। প্রায় তিন বর্গকিলোমিটার জুড়ে আছে এই দ্বীপটি। এর চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ঝিনুক,শামুকের খোলস, প্রবাল, পাথর, চুনাপাথর। যা পর্যটকদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ সৃষ্টি করে। তাই সেন্টমার্টিন থেকে ট্রলারে করে পথ পাড়ি দিয়ে নির্জন এ দ্বীপে ছুটে যান পর্যটকরা।
কিন্তু এতে পর্যটকদের ভীরে ক্ষতি হচ্ছে সামুদ্রিক জীবিত প্রবাল ও জীব-বৈচিত্র্যের।
তাই প্রবালগুলো সংরক্ষণ করতে ছেঁড়া দ্বীপে পর্যটকদের যাওয়া নিষিদ্ধ করে পরিপত্র জারি করেছে সরকার। যা বাস্তবায়নে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কোস্ট-গার্ডকে। আর এই নির্দেশনাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন পরিবেশবাদীরা।
এ বিষয়ে ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটির প্রধান নির্বাহী ইব্রাহিম খলিল মামুন জানান, সরকারের এ সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই। সেই সাথে পুরো সেন্টমার্টিনেই পর্যটক নিষিদ্ধ করা উচিত।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, নির্দেশনা সঠিকভাবে কার্যকরের মাধ্যমে দ্বীপের সামুদ্রিক প্রবাল ও জীব-বৈচিত্র্য রক্ষা করতে হবে। আর আমাদের প্রবাল দ্বীপটির যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা হয়তো এখনও উদ্ধার করা সম্ভব।
আনন্দবাজার/এইচ এস কে









