করোনার সংক্রমন রোধে স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টিনে গেছে গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার খিরাটী গ্রামের ১৫’শ পরিবার। এ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বাঁশ বেধেঁ ও সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে গ্রামের প্রবেশ পথ বন্ধ করেছে তারা।
‘নিজের জীবন রক্ষার্থে নিজেদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে’এই ¯স্লোগানকে সামনে রেখে খিরাটী গ্রামের (১৫০০ টি পরিবার) অধিবাসীরা নিজেদের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় লকডাউনের আওতায় নিয়ে এসেছে তাদের গ্রামের ৪নং, ৫নং ও ৬নং ওয়ার্ড। স্বেচ্ছায় লকডাউনের বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তুলে স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ এলাকার যুবক সম্প্রদায়। আজ মঙ্গলবার থেকে কাপাসিয়ার খিরাটী গ্রাম স্বেচ্ছায় লকডাউনে যায়। এদিকে গাজীপুর জেলার প্রায় প্রত্যেকটা উপজেলা সদর ও এর আশপাশের বাজার এলাকাগুলোকে লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার ফারুক মোল্লা জানান, মহামারি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে খিরাটি এলাকার প্রায় প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে হ্যান্ড মাইক দিয়ে মাইকিং করে সচেতন করা হয়েছে এবং তাদেরকে বলা হয়েছে যে, প্রয়োজন ছাড়া যেন কোন ব্যক্তি ঘরের বাইরে না বের হয়।
এদিকে গ্রামবাসীর পক্ষে স্বেচ্ছায় লকডাউনের নের্তৃত্ব দেন ৪নং ওয়ার্ডের নের্তৃত্বে ছিলেন খিরাটী গ্রাম উন্নয়ন পরিষদের মহা সচিব এডভোকেট মোঃ মনিরুজ্জামান, ৫নং ওয়ার্ডে নের্তৃত্বে ছিলেন ঘাগটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুন অর রশিদ( হিরন মোল্লা), মনিরুল হক চাঁন মিয়া, মোঃ শ্যামল মোল্লা, আবু বক্কর সিদ্দিক, ৬নং ওয়ার্ডের নের্তৃত্বে ছিলেন মোঃ আতাউর মাঝি। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ইউপি সদস্য মোঃ ফারুক আকন্দ, ইউপি সদস্য মোঃ ফারুক হোসেন মোল্লা, ইউপি সদস্য কফিল উদ্দিন শুক্কুর সহ এলাকার সচেতন যুব সমাজ।
লকডাউনের বিষয়ে জানতে চাইলে এডভোকেট মনিররুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ সরকার এই মহামারি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দেশের সর্বএই লকডাউনের ঘোষনা দেন। তারই পরি- প্রেক্ষিতে আমরাও আমাদের নিজেদেরকে সেভ রাখার জন্য ১৫০০টি পরিবারকে লকডাউনের আওতায় নিয়ে এসেছি ।
স্থানীয় সচেতন যুবক সোহাগ বলেন বলেন, আমরা প্রতিটি পরিবার সচেতনতার সঙ্গেই এই উদ্যোগ নিয়েছি ।
এই লকডাউনের বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহীনুর আলম সেলিম বলেন, আমি এই উদ্যোগকে সর্বসম্মত ভাবে স্বাগত জানাই। আমি চাই আমার ইউনিয়নের প্রত্যেকটা এলাকা যেন লকডাউনের আওতায় চলে আসে।
আনন্দবাজার/শহক








