বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে জোর দিচ্ছে বর্তমান সরকার। এরই অংশ হিসেবে দেশের শ্রমবাজারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে নজর কার্যক্রম বেড়েছে। রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সরাসরি শিপিং সংযোগ ও কার্গো ফ্লাইট চালুর বিষয়ে পারস্পরিক অবস্থান থেকে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্ভাব্য সংযুক্ত আরব আমিরাতে সফর নিয়ে সোমবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। এ সময় দুই মন্ত্রী এসব প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বৈঠকে উভয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পর্যালোচনা করেন। বিশেষ করে দুবাইয়ের আমিরের আমন্ত্রণে মার্চে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশটি সফর নিয়ে আলোচনা করেন।
ঢাকা ও দুবাইয়ের কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী যৌথভাবে কিছু বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজনে সম্মত হন। তারা দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন এবং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সুবিধার জন্য সহযোগিতার সব ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
উভয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে সহযোগিতা, আইসিটি, আইওটি এবং ডিজিটালাইজেশনের ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন নতুন ক্ষেত্র অন্বেষণে সম্মত হন; যাতে দুই দেশের মধ্যে চলমান সম্পর্ক অংশীদারিত্বে উন্নীত করা যায়।
এছাড়া মোমেন-নাহিয়ান দুই দেশের মধ্যে আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়েও মতবিনিময় করেন। ড. মোমেন আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন এবং সংকটের দ্রুত সমাধানের জন্য দেশটির অব্যাহত সহযোগিতা ও সমর্থন চান। মোমেন সুবিধাজনক সময়ে নাহিয়ানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানালে তিনি তা গ্রহণ করেন।









