ভিটামিন ডি এর অভাব দেখা দিয়েছে আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষের দেহে। এমন টাই দেখা গিয়েছে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত নানা আলোচনায়। এ কারণে এ ব্যাপারে বিশেষভাবে মনোযোগ দিতে হবে।
অ্যান্টিবডি তৈরিতে সাহায্য করে :
চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা জানান, ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি করে প্রানঘাতী করোনা ভাইরাস। ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ফলে দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট। শ্বাসকষ্টের কারণেই অনেকে মারা যান এই ভাইরাস হলে।
সম্প্রতি কিছু গবেষণা থেকে যানা যায়, ভিটামিন ডি ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। তাছাড়াও শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরিতেও ভূমিকা রাখে। শুধু করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য নয়, এসময় সবারই ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো জরুরী। তাই পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি গ্রহণে মনোযোগ দিতে হবে।
যেসব খাবারে ভিটামিন ডি থাকে :
দুধ, ডিমের কুসুম, মাশরুম, মাখন, টক দই, সামুদ্রিক মাছ ও চর্বিযুক্ত খাবারে ভিটামিন ডি থাকে। যেসব প্রাণী মাঠে থাকে, প্রচুর সূর্যালোক পায় ওইসব প্রাণীর দুধ, ডিম ও যকৃতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি থাকে। একারণে গরুর যকৃত ভিটামিন ডি এর চমৎকার উৎস।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো ছাড়াও হাড়, দাঁত ও পেশী সুস্থ রাখতেও ভিটামিন ডি দরকার। ভিটামিন ডি শিশুর মেধা বিকাশেও সাহায্য করে।
আনন্দবাজার/এস.কে









