করোনা ভাইরাসের প্রকোপ দিনকে দিন বাড়ছে বাংলাদেশে। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে আবারও দেশে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে। শঙ্কা দেখা দিয়েছে নতুন করে আবারও সহস্রাধিক রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের।
তার মধ্যে গত বুধবার এক রাতে ৩৯৬ জন রোহিঙ্গা নিয়ে একটি ট্রলার কক্সবাজারের টেকনাফ হলবনিয়া সৈকতে ভিড়ে। সেখান থেকে তাদের উদ্ধার করে ইউএনএইচসিআরের তত্ত্বাবধানে দুইটি প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। ১৪দিনের কোয়ারেন্টিন শেষ হলে তাদের বিভিন্ন ক্যাম্পে পাঠানো হবে বলে জানাগেছে।
বলা হচ্ছে, এসব রোহিঙ্গা উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন শরণার্থী ক্যাম্পের।মালয়েশিয়া যাত্রা ব্যার্থ হয়ে তারা ফিরে এসেছেন।
অপরদিকে আরোও একাধিক রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলার বাংলাদেশের দিকে আসছে বলে একাধিক সূত্রে জানাগেছে। এসব ট্রলারে শত শত রোহিঙ্গা রয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্র।
এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল তিন শতাধিক রোহিঙ্গা বোঝাই একটি ট্রলার মালয়েশিয়া তাদের জলসীমা। বরাবরের মত মালয়েশিয়া ঢুকতে না পেরে ট্রলার গুলো টেকনাফের কয়েকটি পয়েন্টে আসার চেষ্টা করবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
জানাগেছে, উখিয়া-টেকনাফে ক্যাম্পের পাশাপাশি সরাসরি মিয়ানড়মার থেকেও রোহিঙ্গারা মালয়েশিয়াগামী ট্রলারে উঠে থাকেন। তারা মালয়েশিয়া ঢুকতে ব্যার্থ হলে সরাসরি বাংলাদেশে চলে আসেন। এবং সবাই উখিয়া- টেকনাফ শরণার্থী ক্যাম্পের বলে দাবি করেন। বুধবার রাতে ফেরত আসা ৩৯৬ জন রোহিঙ্গাদের অবস্থাও একই বলে ধারনা করা হচ্ছে।
করোনা সংক্রমণ নিয়ে কক্সবাজার জেলার মানুষ এমনিতে আতঙ্কে। এর মধ্যেই ৩৯৬ জন রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ নিয়ে লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড,নৌবাহিনী ও বিজিবির পক্ষথেকে বলা হয়েছে তারা সর্বোচ্চ সর্তক রয়েছে। কোনভাবে রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলার ঢুকতে দেয়া হবে না। একাধিক ট্রলার বাংলাদেশের দিকে আসার খবর তাদের কাছেও রয়েছে।
তবে চোখ ফাঁকি দিয়ে রোহিঙ্গা ট্রলার সীমান্তের ভিতরে ঢুকে পড়লে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে পুশব্যাক করা হবে কিনা তা অনিশ্চিয়তা।
আনন্দবাজার/এফআইবি







