- লাঘব হবে ৬০ হাজার মানুষের কষ্ট
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রসুল্লাবাদ ইউনিয়নে যমুনা খালের উপর সেতু নির্মাণ কাজ অনুমোদনের ফলে স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে ৪ ইউনিয়নের ১৬ গ্রামের প্রায় ৬০ হাজার মানুষের। এ ইউনিয়নের যমুনা খালের উপর একটি ব্রিজ নির্মাণের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল স্থানীয় সাধারণ মানুষের। হবে, হচ্ছে বলে পার হচ্ছিল বছরের পর বছর। শেষ পর্যন্ত উক্ত খালের উপর ব্রিজ নির্মাণের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে এলজিইডি। প্রকল্প অনুমোদনের পর ১৬ গ্রামের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে। যমুনা খালের উপর নির্মিত একটি বিশাল বাঁশের সাঁকো দিয়ে সাতমোড়া, জিনোদপুর ও ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের ১৬ গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা ছিল। রছুল্লাবাদ গ্রামের পূর্বপাড়ায় মেঘনা নদীর শাখা ‘যমুনা খালের’ উপর ৬০ মিটার দৈর্ঘ্যর নির্মিত বাঁশের উপর কাঠের মাচাল দিয়ে তৈরি এ সাঁকোটি তীব্র স্রোতে প্রায়ই ভেঙে যেত। এতে আরও দুর্ভোগ পোহাতে হতো গ্রামবাসীর। বিভিন্ন সময় বাঁশের সাঁকো পার হতে গিয়ে বেশ কিছু দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে অনেকের। সেখানে একটি ব্রিজ না থাকায় উপজেলার ১৬ গ্রামের লোকজন সব রকমের সুযোগ সুুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। এলজিইডি গত ২৮ ফ্রেব্রুয়ারি রছুল্লাবাদ যমুনা খালের উপর ৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮১ মিটার আরসিসি ব্রিজের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
রসুল্লাবাদ গ্রামের বাসিন্দা আবদুল কুদ্দুস বলেন, এখানে সেতু নির্মাণ করতে ইঞ্জিনিয়ার অফিস থেকে বহু বারই মাপঝোক করে গেছে কিন্তু কোনো কাজই হয়নি। স্বাধীনতার পর থেকে এ এলাকার মানুষের একটাই দাবি এ খালে একটি সেতু নির্মাণ। আমাদের এই দাবী অনুমোদন হয়েছে শুনে খুশি লাগছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও এমপি মোহাম্মদ এবাদুল করিম বুলবুলকে অভিনন্দন জানাই।
উপজেলা প্রকৌশলী ইশতিয়াক হাসান বলেন, উক্ত ব্রিজ অনুমোদন হয়েছে শুনেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত অফিসিয়াল কোন চিঠি আমরা এখানো পাইনি। জেলা প্রকৌশলী দপ্তর থেকে এর টেন্ডার প্রক্রিয়ার কাজ শেষ হলে উপজেলায় আমরা এর নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করবো।









