৩১ জুলাই দৈনিক আনন্দ বাজার পত্রিকায় ‘বড় যান চলাচল বন্ধ, ছোটগুলো চলছে ঝুঁকি নিয়ে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর সেতুর সংস্কার কাজ শুরু করলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বগুড়ার আদমদীঘিতে কদমা মৎস্য খামারের কাছে ঐতিহাসিক রক্তদহ বিলের উপড় নির্মিত বেইলি ব্রিজের পাটাতন (লোহার পাত) খুলে যাওয়ায় বড় যানবাহন চলাচল বন্ধ এবং ছোট যানবাহনগুলো ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছিল। এরই প্রেক্ষিতে দৈনিক আনন্দ বাজারের ৭ নম্বর পৃষ্ঠায় এবং অনলাইন ভার্সনে সংবাদ প্রকাশ হলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বিভাগের নজরে আসে। এরপর গত সোমবার দুপুর থেকেই বেইলি সেতুর সংস্কার কাজ শুরু হয়।
সংস্কার কাজে দায়িত্বরত হেড মিস্ত্রি আবদুস সাত্তার বলেন, বেলা ১১টায় জনবল নিয়ে ব্রিজটি সংস্কার শুরু করা হয়। সংস্কার কাজ শেষ হলে আবারো আগের মতো বড়-ছোট সকল ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এদিকে ব্রিজ সংস্কার শুরু হলে সেই আনন্দে উপজেলার দমদমা গ্রামের অটোরিকশা চালক রফিকুল ইসলাম চাঁন স্থানীয়দের মিষ্টিমুখ করান। তিনি জানান, পৌর শহর ও জংশন থাকায় উপজেলার সান্তাহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা। কিন্তু এই ব্রিজ দিয়ে বড় যান চলাচল বন্ধ তো রয়েছেই আর আমার মতো ছোট যানবাহনের চালকরা জীবিকার ত্যাগিদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। সংস্কার শুরু হওয়ার খবর শুনে আনন্দিত হয়ে সান্তাহার অটোরিকশা স্ট্যান্ডে উপস্থিত ব্যক্তিদের মিষ্টি মুখ করাই।
সান্তাহার ইউপি চেয়ারম্যান নাহিদ সুলতানা তৃপ্তি জানান, ব্রিজটি নির্মানের পর থেকে বিলপাড়ের কদমা, করজবাড়ি, রামপুরা ও ময়ূর কাশিমালাসহ ৮-১০ গ্রামের মানুষের জীবনযত্রার চিত্র বদলে যায়। এখানে বেইলী ব্রীজের পরিবর্তে দ্রুত ঢালাই ব্রীজ নির্মাণ করা প্রয়োজন বলে মনে করি।
বগুড়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী আমানুল্লাহ আমান জানান, পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর সেতুর পরিস্থিতির বিষয়ে আমরা অবগত হয়ে সংস্কার কাজ শুরু করি। শুধু তাই নয়, এনিয়ে আমারা মন্ত্রনালয়ে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছিলাম। সে অনুযায়ী অনুমোদনও হয়েছে। এই সেতুটির পরিবর্তে এখানে ঢালাই সেতু নির্মান করা হবে। এখন দরপত্র আহবান করে ঠিকাদারের মাধ্যমে বেইলী ব্রিজের স্থলে শিগগিরই ঢালাই সেতু নির্মাণ করা হবে।









