দিন যত যাচ্ছে করোনা নিয়ে মানুষের মাঝে আতংক ততই বাড়ছে। যদিও পাবনায় এখন পর্যন্ত কোনো করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়নি। তারপরও প্রশাসন জনগনের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছে।
আর তাই করোনা মোকাবেলায় পাবনা জেলায় জনসাধারণের মধ্যে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। বুধবার সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে মাঠে নেমেছেন তারা। শহরের সব বড় বড় বিপনী বিতান বন্ধ রয়েছে।
সকাল থেকে দফায় দফায় শহরের বিভিন্ন মোড়ে জনগণকে বাড়িতে পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানায় প্রশাসন ও আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। দুপুরে জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ ও পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম পিপিএম মাঠে নেমে শহরের বিভিন্ন বাজার, টার্মিনাল ও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে খোলা রাখা দোকান পাট বন্ধ করে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে দেন। এসময় পরিস্থিতি বিবেচনায় বাইরে অকারণে ঘোরাঘুরি না করে বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেন তারা।
পাবনা জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ বলেন, বাড়িতে থাকার নির্দেশনায় বার বার সতর্ক করার পরও জনগণ অযথা ঘোরাফেরা করছে। অনুরোধে কাজ না হলে প্রশাসন কঠোর হতে বাধ্য হবে। দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য খাদ্য সহায়তার উদ্যোগ প্রশাসনের তরফ থেকে নেয়া হয়েছে।
বুধবার দুপুর থেকে পাবনা জেলায় মোটর সাইকেল, সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চলাচল অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বলেও জানান জেলা প্রশাসক ।
উল্লেখ্য, পাবনায় এ পর্যন্ত বিদেশ ফেরত ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার ৩০০ জন। তাদের মধ্যে মাত্র ৬৮৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা সম্ভব হয়েছে। বার বার চেষ্টা করেও অন্যদের অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেনি প্রশাসন ও আইনশৃংখলা বাহিনী।
আনন্দবাজার/এফআইবি








