- নাজুক যাতায়াত ব্যবস্থা
- নেই প্রয়োজনীয় অবকাঠামো
অবকাঠমো সমস্যা নিয়েই শুল্ক আদায়ে সাফল্য দেখাচ্ছে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর। তবে কিছু উন্নয়ন করলে শুল্ক আয় আরো বাড়ার সম্ভাবনার কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থলবন্দরটিতে গত তিন অর্থবছরে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৩ হাজার ৮শ’৫৫ কোটি টাকা। ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের রাজস্ব আদায়ের ক্রমবর্ধমান লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১,১২১ কোটি টাকা। এর আগে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে মোট শুল্ক আদায় হয়েছে ৫৮৩.৪০ কোটি টাকা।
ভোমরা স্থলবন্দর সূত্রে জানায়, ভোমরা স্থলবন্দরে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ওয়ারহাউজ না হওয়ায় খোলা আকাশের নিচে মালামাল রেখে শুল্ক আদায়ের কাজ সম্পন্ন করতে হয়। কাস্টমস কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সরকারি ভবন না থাকা, প্রয়োজনীয় জনবল না থাকা ও ভঙ্গুর যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ মালামাল বোঝাই ট্রাক পার্কিংয়ের জন্য সরকারি ট্রাক টার্মিনাল না থাকার কারণে এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যবসায়িরা ভোমরা বন্দরে বেশ সমস্যায় পড়ছেন। উল্লেখিত সমস্যা গুলোর সমাধান হলে বন্দর অন্যান্য বন্দরের চাইতে রাজস্ব আদায়ে অনেকখানি এগিয়ে যাবে বলে করছেন সংশিষ্টরা।
২০২১-২০২২ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত ছিল ৭৬০.৬৫ কোটি টাকা। সেক্ষেত্রে গত জুলাই মাসে আদায় হয়েছে ৪৪.৫২ কোটি, আগস্ট মাসে ৫৭.৬৩ কোটি, সেপ্টেম্বর মাসে ৭৩.৩০ কোটি অক্টোবর মাসে ৭১.৪৪ কোটি, নভেম্বর মাসে ৭৪.২৮ কোটি, ডিসেম্বর মাসে ৫৫.২৭কোটি এবং জানুয়ারি ২০২২ এ ৫৯.২০ টাকা শুল্ক আদায় করেছে।
ভোমরা স্থলবন্দর শুল্ক স্টেশন কর্মকর্তা বলেন, আমরা করোনাকালীন সময়ে সকল প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি।
২০২০-২০২১ অর্থবছরের জুলাই মাসে আদায় হয়েছিল ৫৪. ৭৩ কোটি, আগস্ট মাসে ৪৬.৪১ কোটি, সেপ্টেম্বরে ৫৩.৯৪ কোটি, নভেম্বরে ৭৩.৪৬কোটি, ডিসেম্বরে ৯৩.২৭কোটি টাকা। জানুয়ারিতে ৭৮.১৭, ফেব্রুয়ারি ৮৮.১২ কোটি, মার্চ মাসে ৮০.৬০কোটি, এপ্রিল মাসে ৬০.৭২ কোটি, মে মাসে ২৬.০৭ কোটি ও জুন মাসে ৩২.৯০ কোটি টাকা আদায় করেছে।
সূত্রমতে ভোমরা স্থলবন্দরের যাতায়াত ব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক হওয়ার কারণে মালবাহী ট্রাক গুলো আসতে মারাত্মক ধরনের হুমকির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তাছাড়া ওই এলাকায় এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য অনেক সময় রাজস্ব আদায়ের প্রতিকূলতার সৃষ্টি করছে বলে একটি সূত্র জানায়। তবে উদ্ভূত সমস্যা গুলোর সমাধান হলে অন্যান্য বন্দরের তুলনায় ভোমরা স্থলবন্দর শুল্ক আদায়ে অনেকখানি এগিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।









