মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলায়। গতানুগতিক আয়োজন নয়, ভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে একুশের চেতনাকে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য গ্রহণ করা হয়েছে নানা কর্মসূচি।
উপজেলা শহরে নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছে বারহাট্টা আধুনিক দৃষ্টিনন্দন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। শেষ হয়েছে আধুনিক শহীদ মিনারটির নির্মাণ কাজ। জেলার বারহাট্টা উপজেলা শহরের খোলা মেলা স্থানে মনোরম পরিবেশে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন বারহাট্টা উপজেলাবাসি।
এ উপজেলা শহরে আগে এরকম দৃষ্টিনন্দন কোনো শহীদ মিনার ছিলো না, বারহাট্টা উপজেলা পরিষদের বতর্মান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মাইনুল হক কাশেমের আপ্রাণ চেষ্টা ও সহযোগিতায় এ দৃষ্টিনন্দন আধুনিক শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে।
বারহাট্টা উপজেলায় আধুনিক দৃষ্টিনন্দন শহীদ মিনারের সামনে রয়েছে নেত্রকোণা টু মোহনগঞ্জ যাওয়ার প্রধান সড়ক, সঙ্গে রয়েছে সদর ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, বারহাট্টা বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ?্যালয় ও জেলা পরিষদ কাম মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়াম ও ঈদগাহ মাঠ, পেছনে রয়েছে বারহাট্টা রেলওয়ে স্টেশন, এতো কিছুর ভিতরে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে দেখা যাবে এ আধুনিক দৃষ্টিনন্দন শহীদ মিনার। এতে সহযোগী করেন সমাজকল?্যাণ প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খসরু এমপি, বারহাট্টা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মাইনুল হক কাশেম। শহীদ মিনারটি বারহাট্টা উপজেলার সবচেয়ে বড় শহীদ মিনার।
শহীদ মিনারটির দৈর্ঘ্য ৭১ ফুট এবং প্রস্থ ৫২ ফুট। নির্মাণাধীন শহীদ মিনারটি দেখতে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভিড় করছে। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মাইনুল হক কাশেম বলেন, আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/আমি কি ভুলিতে পারি. এ গানের রচয়িতা সাবান মাহমুদকে স্বরণ করি তার আমরণ এই গানের মাধ্যমে সবসময়ই।
আনন্দবাজার/শহক









