লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশন ও স্থলবন্দর ঈদ-উল আযহা ও সাপ্তাহিক ছুটিসহ সাত দিন বন্ধ থাকবে। এ সময় সকল প্রকার আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। শুল্ক স্টেশন ও স্থলবন্দর উভয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বুড়িমারী কাস্টমস্ ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট (সিঅ্যান্ডএফ) অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছায়েদুজ্জামান ছায়েদ জানান, ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে সাপ্তাহিক ছুটিসহ সাতদিন বন্ধ থাকবে। তবে আগামী ১৬ জুলাই (শনিবার) থেকে যথানিয়মে আবারো আমদানি-রপ্তানিসহ সকল ব্যবসায়ী কার্যক্রম চালু হবে।’
জানা গেছে, ১০ জুলাই পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে বুড়িমারী কাস্টমস্ ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট (সিঅ্যান্ডএফ) অ্যাসোসিয়েশন ও বুড়িমারী স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানি গ্রুপ ০৯ জুলাই হতে ১৪ জূুলাই এবং ১৫ জুলাই শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় ওইদিন পর্যন্ত মোট ৭ দিন ব্যবসায়ী সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখবে। তবে পুলিশ অভিবাসন চৌকি খোলা থাকবে। পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।
বুড়িমারী সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন জানায়, ঈদ উপলক্ষে আগামী ০৯ জুলাই (শনিবার) থেকে ১৪ জুলাই (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত ছয় দিন ও ১৫ জুলাই (শুক্রবার) সাপ্তাহিক ছুটিসহ সাতদিন আমদানি-রপ্তানিসহ সকল ব্যবসায়ী কার্যক্রম বন্ধ রাখার ব্যাপারে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ কারণে ব্যবসায়ী কর্মকান্ড বন্ধ থাকবে।
এ সংক্রান্ত একটি চিঠি বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশন (কাস্টমস্ কর্তৃপক্ষ), বন্দর কর্তৃপক্ষ, বুড়িমারী স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশন, বুড়িমারী বিজিবি কমান্ডার, পুলিশ ইমিগ্রেশন, লালমনিরহাট চেম্বার অব কর্মাস, সোনালী ব্যাংক ও ভারতীয় চ্যাংরাবান্ধা স্থল শুল্ক স্টেশন কাস্টমস্, বিএসএফ কমান্ডার, চ্যাংরাবান্ধা আমদানি- রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশন, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন ও ভুটান এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনকে দেওয়া হয়েছে।
বুড়িমারী স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশন ও স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও বুড়িমারী অভিবাসন চৌকি হয়ে পাসপোর্ট ও ভিসাধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক ও চালু থাকবে।’
এ ব্যাপারে বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশন কাস্টমস্ সহকারী কমিশনার (এসি) জে এম আলী আহসান বলেন, ‘সিঅ্যান্ডএফ ও আমদানি-রপ্তানিকারকগণ এবং ব্যবসায়ী ও পরিবহণে নিযুক্ত ব্যক্তিরা কাজ বন্ধ রাখলে এমনিতেই স্থল শুল্ক স্টেশন ও বন্দরের কাজ থাকে না। তবে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আমাদের কাস্টমস্ কার্যালয় খোলা থাকবে।’









