যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আর কোনো আলোচনায় যাবে না ইরান। এর আগে মার্কিন গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে, ইরান আলোচনার জন্য অনুরোধ করেছে। কিন্তু ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি আলী লারিজানি এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। খবর আল জাজিরার।
একবার ২০২৫ সালে আলোচনার সময় মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার কারণে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। এখন একইভাবে দেশটি আবারও আক্রমণের মুখে পড়েছে যখন আমরা যুক্তরাষ্ট্র এবং আইএইএ-এর সঙ্গে দুটি নতুন আলোচনার আশা করছিলাম। এখন এটি স্পষ্ট নয় যে, এই অচলাবস্থার কোনো কূটনৈতিক সমাধান হবে কি না।
এদিকে যুক্তরাজ্যের সামরিক ঘাঁটি থেকেই যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক ভিডিও বার্তায় এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
‘ওমানের মধ্যস্থতার মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সঙ্গে পুনরায় আলোচনা বসার’ বিষয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় লারিজানি ওই কথা লিখেছেন। এক্সে তিনি লেখেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা করবো না।’
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্যা আটলান্টিককে জানিয়েছেন, তেহরান আলোচনায় ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘তারা কথা বলতে চায় এবং আমি কথা বলার জন্য রাজি আছি। তাই আমি তাদের সঙ্গে কথা বলব। তাদের এটা আগেই করা উচিত ছিল।’









