যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমমন্ত্রী লরি শ্যাভেজ-ডিরেমার ট্রাম্প প্রশাসন থেকে পদত্যাগ করছেন। তিনি বেসরকারি খাতে নতুন পদে যোগ দেবেন।
সোমবার (২০ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
শ্রম আইন তদারকি ও বেকার ভাতা ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা এই বিভাগের প্রধানের বিরুদ্ধে গত কয়েক মাস ধরে নানা অভিযোগ ও অভ্যন্তরীণ তদন্তের খবর সামনে আসছিল।
৫৮ বছর বয়সী শ্যাভেজ-ডিরেমার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের লক্ষ্য বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছি এবং ব্যবসা ও শ্রমিকদের মধ্যে ব্যবধান কমাতে কাজ করেছি।
হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক স্টিভেন চিউং তাকে “চমৎকার কাজ” করার জন্য প্রশংসা করে বলেন, তিনি মার্কিন শ্রমিকদের সুরক্ষা, ন্যায্য শ্রমনীতি বাস্তবায়ন এবং দক্ষতা উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন।
তার পদত্যাগের পর ভারপ্রাপ্ত শ্রমমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন ডেপুটি সেক্রেটারি কিথ সন্ডারলিং।
শ্যাভেজ-ডিরেমার আরও বলেন, তার কাজের মধ্যে ছিল কর্মীদের এআই যুগের জন্য প্রস্তুত করা, ওষুধের দাম কমানো এবং অবসরকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
তিনি ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, প্রশাসনের দায়িত্ব শেষ হলেও তিনি শ্রমিকদের অধিকার রক্ষার লড়াই চালিয়ে যাবেন।
এর আগে জানুয়ারিতে মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট জানায়, শ্রম দপ্তরের অভ্যন্তরীণ তদন্তে তার বিরুদ্ধে কর্মক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগে বলা হয়, তিনি অফিস সময়ে মদ্যপান এবং ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য সরকারি সফর ব্যবহারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন—যদিও তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এছাড়া তার স্বামী শন ডিরেমারের বিরুদ্ধেও অনুচিত আচরণের অভিযোগ উঠেছিল, তবে তিনি আইনগতভাবে অভিযুক্ত হননি বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।









