প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলছিলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে এ পর্যন্ত চার বাংলাদেশির মৃত্যুর তথ্য জানতে পেরেছি। তার মধ্যে ১জন দুবাই, ১জন বাহারাইন ও ২ইজন সৌদি আরবে মারা গেছেন। আজ একজনের মরদেহ দেশে আনা হলো। পর্যায়ক্রমে সব মরদেহ আনা হবে।
আজ সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংযুক্ত দুবাইয়ে বোমা হামলায় নিহত আহমদ আলীর মরদেহ গ্রহণ করতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
আরিফুল হক চৌধুরী বলছিলেন, সংঘাতে যারা আহত হয়েছেন তারাও বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আমরা তাদের খোঁজখবর নিচ্ছি। পরিবারের সাথেও যোগাযোগ রাখছি। প্রবাসীদের পাশে আমরা আছি।
‘আমি নিহতের মরদেহ নিয়ে তার গ্রামের বাড়ি যাবো। তার পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। নিহতদের পারিবারকে সরকারের তরফ থেকে সাহায্য করা হবে’, বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে কফিনবন্দি মরদেহ সিলেটে এসে পৌঁছে। প্রথমে দুবাই থেকে ঢাকায় আনা হয় আহমদ আলীর মরদেহ। পরে সেখান থেকে বিমানে করে সিলেটে আনা হয়।
মরদেহ গ্রহণের পর নিহতের চাচাতো ভাই কামাল আহমদ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলছিলেন, দুর্ঘটনার পর থেকে সরকারের তরফ থেকে আমাদের পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করা হয়েছে। আমাদের দাবি-আমার ভাইকে যেন শহীদের মর্যাদা দেওয়া হয়।









