পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, রমজানের শিক্ষা সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে যেন প্রতিফলিত হয়।
আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) একটি বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঈদুল ফিতর মুসলমানদের সবচেয়ে বড় দুটি ধর্মীয় উৎসবের একটি। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও সংযমের পর ঈদ আমাদের জীবনে আনন্দ, শান্তি, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আসে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “পবিত্র রমজান মাস সংযম, ত্যাগ, খেদমত ও আত্মশুদ্ধির অনন্য শিক্ষা দেয়। এক মাসের সাধনা আমাদের আত্মসংযমী হতে এবং অন্যের কষ্ট উপলব্ধি করতে শেখায়। এটি সমাজে সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব জাগ্রত করে।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে প্রতিফলিত করাই ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য। ঈদ আমাদের ধনী-গরিব, ছোট-বড়, সকল ভেদাভেদ ভুলে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়। এই আনন্দের দিনে সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করা হোক আমাদের অঙ্গীকার।”
তিনি আশা প্রকাশ করেন, “পবিত্র ঈদুল ফিতর জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করবে। ঈদের মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি মানবিক, উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করি। পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ, রহমত ও বরকত সবার জীবনে বর্ষিত হোক।”
প্রধানমন্ত্রী প্রার্থনা করেন, “মহান আল্লাহ দেশ ও জাতিকে শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যান এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ নিশ্চিত করুন।”









