কিশোরগঞ্জের ভৈরব শহরের চন্ডিবের এলাকায় তুচ্ছ ঘটনায় সড়ক অবরোধ ও দুপক্ষের সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সংঘর্ষে জড়িত সন্দেহে ৬ জনকে আটক করে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন– বাচ্চু মিয়া (৪৫), বাবুল মিয়া (৫০), নুর মোহাম্মদ (৪৫), রিফাত (২০), শাহ আলী (৩৫), আইমন (১৬), রাহুল (২২), শারফিনসহ (১৭) প্রার্থী। গুরুতর আহত বাবুল মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
ঘটনা ঘটে মঙ্গলবার বেলা ১১.৩০ মিনিটে ৯নং ওয়ার্ডের চন্ডিব এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ব্যবসায়ী শাহেদ মিয়ার বাড়ির রাস্তা দিয়ে বাচ্চু মিয়ার ছেলে শারফিন ও তার বন্ধু যাওয়ার ঘটনায় তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। রাতেই দুপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
পরের দিন মঙ্গলবার সকালে শাহেদ মিয়ার ছোট বাড়ি ফেরিঘাট এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার পথে বাচ্চু মিয়ার লোকজন তাকে আটকিয়ে মারধোর এবং সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়।
ভৈরব সার্কেল অফিসের এএসপি মোহাম্মদ ফয়জুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে জড়িত সন্দেহে ৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
চন্ডিবের ব্যবসায়ী শাহেদ মিয়া বলেছেন, “রাতের ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে আমার ছোট ভাই ফেরিঘাট এলাকায় যাওয়ার পথে বাচ্চু মিয়ার লোকজন হামলা চালায়। এরপরই সংঘর্ষের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।”
বাচ্চু মিয়া দাবি করেছেন, “শাহেদ মিয়া আমাকে ডেকে বিষয়টি মীমাংসা করতে নিয়ে আসেন। এ সময় তাদের লোকজন আমাকে মারধোর করে গুরুতর আহত করে।”
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শাহারিয়ার জানান, সকাল থেকে প্রায় ৩০ জন আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।
ভৈরব থানার ওসি মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকন্দ বলেছেন, তুচ্ছ ঘটনায় দুপক্ষের সংঘর্ষ ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।









