ঢাকার কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক সামগ্রী তৈরির কারখানায় আগুনে দগ্ধ হয়ে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাড়িয়েছে ১২ জনে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাতে ও বৃহস্পতিবার সকালে তাদের মৃত্যু হয়। বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন আ ফ ম আরিফুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, বুধবার ওই কারখানার ধ্বংসস্তূপ থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে। তার নাম জাকির হোসেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাতে ও ভোরে মারা যান ওই কারখানার কর্মী খালেক, সালাউদ্দিন, ইমরান, বাবলু ও রায়হান, সুজন, জিনারুল ও আলম। এর পরদিন সকাল সাড়ে ৯টায় ও বেলা ১১টার দিকে আরও দুজনের মৃত্যু হয়। দগ্ধ আরও ২৫ জন ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
এর আগে বুধবার বিকেলে কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া এলাকায় অবস্থিত ‘প্রাইম পেট অ্যান্ড প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’র প্লাস্টিক কারখানায় আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক কাজী নাজমুজ্জামান জানান, প্রাথমিকভাবে তারা ধারণা করছেন, প্লাস্টিক গলানোর যে মেশিন (বয়লার মেশিন) সেটি বিস্ফোরিত হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
কেরাণীগঞ্জের এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত একজনের মরদেহসহ ৩২ জনকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন উইনিটে ভর্তি করা হয়। দগ্ধদের মধ্যে গুরুতর ১১ জনকে পাঠানো হয় নবনির্মিতি শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে। বাকিরা সবাই রয়েছেন ঢামেকের বার্ন ইউনিটে।
আনন্দবাজার/শাহী









